আন্তর্জাতিক

ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘বাভি’, ব্যবস্থা নিচ্ছে চীন-জাপান

বৃষ্টির কারণে ঢাকার আকাশে মেঘাচ্ছন্ন দৃশ্য, ঝড়ের পূর্বাভাস।. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ছবি: সংগৃহীত

চীনের দিকে ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘বাভি’। ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানার আশঙ্কায় শনিবার (১১ জুলাই) দেশটির পূর্বাঞ্চলের বড় শহর ওয়েনঝৌ থেকে ৬ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জাপানেও এই টাইফুনের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

এর আগে শক্তিশালী এই টাইফুন জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের সাকিশিমা দ্বীপপুঞ্জে ভারী বৃষ্টি ও তীব্র ঝড়ো হাওয়া বয়ে আনে এবং তাইওয়ানের উত্তরাঞ্চল ঘেঁষে চলে যায়।

যদিও ঠান্ডা সমুদ্রের ওপর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় ‘বাভি’র গতি ও শক্তি কিছুটা কমছে, তবুও এটি এখনও বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। কারণ, এর বিশাল বৃষ্টির মেঘে বিপুল পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে। পুরো বৃষ্টির বলয়টি আয়তনে প্রায় ফ্রান্সের সমান।

আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রোববার (১২ জুলাই) ভোরে প্রায় এক কোটি মানুষের শহর ওয়েনঝৌতে টাইফুনটি আঘাত হানতে পারে।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ঝেজিয়াং প্রদেশ থেকে ৫ লাখের বেশি এবং পাশের ফুজিয়ান প্রদেশ থেকে আরও ১ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ওয়েনঝৌর ৫০ বছর বয়সি বাসিন্দা হুয়াং শিংহুয়ান বলেন, ‘কিছুটা চিন্তা তো আছেই। তবে আমার মনে হয় সব ঠিক থাকবে। আমরা আগেও অনেক টাইফুন মোকাবিলা করেছি, এবারও পারব।’

টাইফুনের আগে বাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগেই তিনি পরিবারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বের হয়েছিলেন। তিনি জানান, তাদের পরিবার দুই থেকে তিন দিনের জন্য পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা করেছে। তার ভাষায়, ‘এখন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সরবরাহ ভালো আছে। তাই আতঙ্কিত হওয়া বা অতিরিক্ত খাবার-দাবার মজুত করার কোনো দরকার নেই।’

এদিকে, জাপান ও তাইওয়ানে এখন পর্যন্ত টাইফুনের কারণে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ফিলিপাইনে ‘বাভি’র প্রভাবে শক্তিশালী হওয়া ও মৌসুমি বৃষ্টিতে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিষয়:ঘূর্ণিঝড় টাইফুন

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…