খাগড়াছড়িতে সাম্প্রতিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ফুটে উঠেছে। গ্রামীণ সড়ক অবকাঠামো, কৃষি খাত ও কাঁচা ঘরবাড়ি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার পানি নেমে গেলেও এখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। নষ্ট হয়েছে দুই হাজার হেক্টরেরও বেশি ফসলি জমি।
খাগড়াছড়ি জেলা সদর ছাড়াও দীঘিনালা, রামগড় ও মহালছড়ি উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হাজারো পরিবার। পানি নেমে যাওয়ার পর ভেসে উঠছে ক্ষতচিহ্ন। চেঙ্গী, মাইনী ও ফেনী নদী তীরে বসবাসরত মানুষের বাড়িঘরের টিন, আসবাবপত্র ও গবাদি পশু বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
জেলার ১শ’ সাত কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক, ১৪টি কালভার্ট ও ৩টি সেতুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দুই হাজার ১শ’ ২৪ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতির তথ্য দিয়েছে কৃষি বিভাগ। কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগাম চাষে প্রণোদনা দেয়া হবে। এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী তৃপ্তি শংকর চাকমা বলেছেন, যোগাযোগ সচল রাখতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
জেলার বন্যার্তদের সহায়তায় জেলা প্রশাসন এ পর্যন্ত ৫শ’ দুই মেট্রিক টন খাদ্যশষ্য ও নগদ সাড়ে ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। জেলা প্রশাসন ছাড়াও ত্রাণ সহায়তায় এগিয়ে এসেছে শিক্ষার্থী, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান।








