ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। উপজেলার শিংপাড়া ও বরুনাগাঁও এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘাতক অটোরিকশা ও চালককে শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, প্রথম ঘটনায় অটোরিকশার ধাক্কায় নিহত স্কুলছাত্রের নাম আশরাফুল ইসলাম মারুফ (১৬)। তিনি সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের শিংপাড়া এলাকার মো. রশিদুল ইসলামের ছেলে এবং স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মারুফ সকালে নানাবাড়ি খামার ভোপলা এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে করে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। দুপুর আড়াইটার দিকে শিংপাড়া ইক্ষু খামারের পশ্চিম পাশে একটি সড়কে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অজ্ঞাতনামা অটোরিকশা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. রশিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘাতক অটোরিকশা ও চালককে শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে।
অন্যদিকে, একই দিনে জেলার ফারাবাড়ী সড়কের বরুনাগাঁও এলাকায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে সুনীল চন্দ্র রায় (২৫) নামে এক পোশাককর্মী নিহত হয়েছেন। তিনি সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের দক্ষিণ বটিনা গ্রামের জিতেন বর্মনের ছেলে। জানা যায়, বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলের জ্বালানি আনতে স্থানীয় একটি ফিলিং স্টেশনে যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, দুটি ঘটনার বিষয়েই পুলিশ তদন্ত করছে।

