তুরস্ক শুক্রবার (২৯ আগস্ট) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একাধিক কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, গত দুই বছর ধরে সারা বিশ্বের চোখের সামনে মৌলিক ও মানবিক মূল্যবোধ উপেক্ষা করে গাজায় গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে তেলআবিব। ইসরাইলের সঙ্গে আমরা বাণিজ্য সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছি। তুরস্কের কোনো জাহাজকে ইসরাইলি বন্দরে যাওয়ার অনুমতি আমরা দিই না। আমাদের আকাশসীমায় তাদের বিমান প্রবেশ করতে দিই না।
সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে, ২০২৪ সালের মে মাসে তুরস্ক ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্য সম্পূর্ণভাবে স্থগিত করেছিল।
কেন এই সিদ্ধান্ত?
তুরস্ক বহুদিন ধরেই ফিলিস্তিনের সমর্থক হিসেবে পরিচিত এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের বিরোধিতা করে আসছে। এই প্রেক্ষিতেই তুরস্কের পার্লামেন্টে গাজা যুদ্ধ নিয়ে এক বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এসব নতুন পদক্ষেপের ঘোষণা দেন।
হাকান ফিদান বলেন, আমরা ইসরায়েলের সাথে সম্পূর্ণভাবে বাণিজ্য বন্ধ করেছি।
অধিবেশনে ফিদান বলেন, আমাদের বন্দরসমূহ ইসরায়েলি জাহাজের জন্য বন্ধ এবং তুর্কি জাহাজগুলোকেও ইসরায়েলের বন্দরগুলোতে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।
তিনি আরও জানান, অস্ত্র ও গোলাবারুদ বহনকারী কোনো জাহাজ যদি ইসরায়েলের গন্তব্যে যায়, তাহলে সেগুলোকে তুরস্কের বন্দর ব্যবহার করতে দেওয়া হচ্ছে না। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
এরদোয়ানের অবস্থান
তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ইসরায়েলের গাজা অভিযানকে বারবার “গণহত্যা” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যদিও ইসরায়েল বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।






