চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

কন্তেকে লঘু শাস্তি দেয়ায় নাখোশ টুখেল

Nagod
Bkash July

টটেনহ্যাম হটস্পারের কোচ অ্যান্টনিও কন্তের সঙ্গে হাতাহাতি কাণ্ডে চেলসির কোচ টুখেলকে এক ম্যাচের জন্য ডাগ আউটে নিষিদ্ধ করে ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। একইসঙ্গে বাজে আচরণের জন্য তাকে করা হয় ৩৫ হাজার পাউন্ড জরিমানা।

Reneta June

টুখেলের সঙ্গে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়া কন্তেকে ১৫ হাজার পাউন্ড জরিমানা করা হলেও নিষেধাজ্ঞার কবলে তাকে পড়তে হয়নি। তার বিরুদ্ধে নেয়া ব্যবস্থাকে লঘু শাস্তি দাবি করেছেন টুখেল। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তা নিয়েও ব্লুদের কোচ প্রশ্ন তুলেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে টুখেল বলেন, ‘আমার উপলব্ধি হল, যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তার জন্য আমরা দুইজনই দায়ী ছিলাম। আমি নিষেধাজ্ঞা পেয়েছি, জরিমানাও গুনছি। তাহলে আরেক কোচ কেন একই শাস্তি পাবেন না, তা আমি বুঝতে পারছি না।’

‘আমি আক্রমণাত্মক ভঙ্গি আগে করেছি তা মনে করি না। ঘটনায় আমি একা জড়িত ছিলাম না। দুইজনই লাল কার্ড পেয়েছি। একজন খেলোয়াড় আরেক খেলোয়াড়ের চুল ধরে টেনে ধরেছিল। সে খেলতে পারে, তাকে নিষিদ্ধ করা হয় না। ম্যাচ শেষে শক্তভাবে হ্যান্ডশেকের জন্য একজন কোচ নিষিদ্ধ হন। এটা মেনে নেয়া খুব কঠিন। কিন্তু আমি এটা মেনে নিয়েছি।’

গত ১৪ আগস্ট ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে চেলসির মাঠে ২-২ গোলে ড্র করে টটেনহ্যাম। ম্যাচ শেষ হতে যখন কয়েক মুহূর্ত বাকি, তখন ঘটনার সূত্রপাত। অতিরিক্ত সময়েরও একদম শেষের দিকে আবারও সমতায় ফেরে টটেনহ্যাম। দুর্দান্ত হেডে চেলসিকে জয়বঞ্চিত করেছেন হ্যারি কেন।

কেনের করা গোলের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে চেলসির সেন্ট্রাল ব্যাক মার্ক কুকুরেলার চুল টেনে ধরেছিলেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। মাঠে সেদিন রেফারির দায়িত্ব পালন করা অ্যান্থনি টেলর এ ঘটনায় ফাউলের বাঁশি বাজাননি।

রেফারি ফাউলের সংকেত না দেয়ায় তাতে টটেনহ্যাম লাভবান হয়। কারণ ম্যাচের শেষ মুহূর্তের ওই ঘটনায় ফাউলের বাঁশি বাজলে কেনের গোল পাওয়ার সুযোগ থাকতো না। স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ থেকে টটেনহ্যাম ড্র নিয়ে ফিরতে পারতো না।

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর আবারও কথার লড়াইয়ে জড়ান টুখেল ও কন্তে। তবে এবার শুধু কথাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, লড়াই গড়িয়েছে হাতাহাতি পর্যন্ত। বাধ্য হয়ে শেষ পর্যন্ত দুই রেফারিকে লাল কার্ড দেখান রেফারি।

এফএ’র স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশন তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, টুখেল অতি জোরে হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে কন্তের সঙ্গে বেশ স্পষ্টভাবে সংঘর্ষের উসকানি দিয়েছিলেন। কন্তে তাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার পরে তার হাতে জোরে ঝাঁকি দেন টুখেল। যদি কন্তের হাত টুখেল না ধরতেন, তাহলে দুইজনের মধ্যে সংঘর্ষ এবং পরবর্তীতে হাতাহাতির ঘটনা ঘটতো না।

 

BSH
Bellow Post-Green View