প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “দুর্নীতির টুটি চেপে ধরে জনগণের টাকা জনগণের জন্যই ব্যয়ের চেষ্টা করছি। অর্থপাচার হওয়া দেশগুলোর মধ্যে তিনটি দেশের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। বাকি দেশগুলোর সঙ্গেও চুক্তি করার চেষ্টা চলছে। জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। তাই সরকারের লক্ষ্য জনগণের অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণের জন্য ব্যয় করা।”
বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এক প্রশ্নে জবাবে তিনি একথা বলেন।
সরকার নির্বাচনী ইশতেহারের বাস্তবায়ন শুরু করেছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন সংসদ নেতা। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড প্রদান, খাল খনন, ধর্মীয় উপাসনালয় ব্যক্তিত্বদের সন্মানী ভাতা এবং ক্রীড়া ভাতা প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হবে। পাইলট প্রকল্পে ১০টি জেলায় ২২ হাজার কৃষককে কার্ড প্রদান করা হবে। তিনি আরও বলেন, “প্রতি বছর বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে, টাকা ছাপানো হবে না, তাই মূল্যস্ফীতি হবে না এবং দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।”
এ অর্থবছরেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই লাখ শিশুর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম চার বছরে চার কোটি পরিবারের কাছে পৌঁছে বৈষম্যহীন মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল টিকিট বিতরণ করেছিল। মানুষ গত নির্বাচনে বিএনপির ওপর ভরসা রেখেছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব প্রতিশ্রুতি পূরণে। তিনি উল্লেখ করেন, শ্রমিকদের জন্য এখনও কার্ড দেওয়া না হলেও বরাদ্দকৃত অর্থ নিশ্চিতভাবে শ্রমিকদের জন্য ব্যয় করা হবে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, পাচারকৃত অর্থ, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা সংশ্লিষ্ট বিভাগ তৈরি করছে। বর্তমান সরকার আইনের ভিত্তিতে বিচার নিশ্চিত করতে চায়। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী অর্থপাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








