চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

ট্রাম্পের চিঠি শুভেচ্ছা না কৌশল

জিল্লুর রহমানজিল্লুর রহমান
২:১৮ অপরাহ্ণ ২৩, ফেব্রুয়ারি ২০২৬
- সেমি লিড, মতামত
A A
ছবি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠি।

ছবি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চিঠি।

বাংলাদেশের রাজনীতি ও রাষ্ট্রচিন্তার এই সময়টিকে একক কোনো ঘটনার ভিতরে বন্দি করা যায় না। বরং কয়েকটি আলাদা রেখা-কূটনীতি, বৈশ্বিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক আচরণ এবং সংস্কৃতির মানবিক ভিত্তি-একসঙ্গে এসে একটি বড় চিত্র তৈরি করছে। এই সপ্তাহে চারটি ঘটনাকে আলাদা করে দেখা গেলেও, গভীরে গেলে বোঝা যায়-এগুলো একই গল্পের চারটি অধ্যায়।

১. ট্রাম্পের চিঠি: শুভেচ্ছা না কৌশল?

বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাঠানো চিঠি নিছক প্রোটোকল ছিল, এমন ভাবলে ভুল হবে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কোনো চিঠি কখনোই শুধু শুভেচ্ছা নয়; প্রতিটি শব্দের ভিতরে থাকে অগ্রাধিকার, প্রত্যাশা, কখনো চাপ, কখনো সম্ভাবনা।

চিঠিতে ট্রাম্প বাণিজ্য সম্পর্কের গতি বজায় রাখার কথা বলেছেন, পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন-বিশেষ করে এমন চুক্তি যা বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে উচ্চমানের মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের সুযোগ দেবে। এই দুটি বিষয়, বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা, একসঙ্গে উল্লেখ হওয়া কূটনীতির ভাষায় একটি স্পষ্ট বার্তা: অর্থনীতি ও নিরাপত্তা এখন একই ফ্রেমে।

বাংলাদেশের জন্য এর অর্থ কী? প্রথমত যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে শুধু গার্মেন্টনির্ভর অর্থনীতি হিসেবে দেখছে না; বরং ইন্দো-প্যাসিফিক ভূরাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছে। কারণ দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তির ভারসাম্য বদলাচ্ছে-চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র-সবাই নতুন করে অবস্থান নিচ্ছে। দ্বিতীয়ত বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের প্রতি একটি ‘ওপেনিং’ তৈরি হয়েছে-যা সুযোগও, আবার পরীক্ষাও।

বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ গত এক দশকে দুই দেশের সম্পর্ক কখনো উষ্ণ, কখনো দূরত্বপূর্ণ ছিল। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় ওয়াশিংটনের এই দ্রুত প্রতিক্রিয়া বোঝায়, বাংলাদেশকে তারা আবারও গুরুত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে চায়।

Reneta

এখানে একটু হাসির কথা বলা যায়। কূটনীতিতে ‘বন্ধুত্ব’ শব্দটি অনেকটা বাংলার আত্মীয়তার মতো-দূরের মামা হঠাৎ খুব খোঁজ নেয়, কারণ সামনে হয়তো কোনো দরকার আছে। রাষ্ট্রনীতিও প্রায় সেই রকম।

কূটনীতির ভাষা সব সময় নরম, কিন্তু তার ভিতরে শক্ত বাস্তবতা লুকিয়ে থাকে। কিন্তু এটাও সত্য, এই চিঠি নতুন সরকারের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার একটি শক্তিশালী সংকেত।

২. বিশ্ব সম্পর্কের নতুন অধ্যায়: সম্ভাবনার দরজা

নতুন সরকার গঠনের পর বিভিন্ন দেশের নেতারা অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে ‘পারস্পরিক নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির’ ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবার সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

বিশ্বনেতাদের অভিনন্দনবার্তা সাধারণত প্রোটোকলের অংশ। কিন্তু এবার লক্ষ্য করা গেছে, অভিনন্দনের পাশাপাশি দ্রুত দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগের ইঙ্গিত এসেছে। ভারত সফরের আমন্ত্রণ, ইউরোপীয় দেশগুলোর ইতিবাচক বার্তা, মধ্যপ্রাচ্যের আগ্রহ-সব মিলিয়ে বোঝা যাচ্ছে বাংলাদেশকে ঘিরে নতুন কূটনৈতিক গতি তৈরি হচ্ছে। এই প্রতিক্রিয়াগুলো দেখলে বোঝা যায়, বাংলাদেশ এখন ‘রিসেট মোমেন্টে’ আছে।

বাংলাদেশের সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: ‘ব্যালান্সিং’। কারণ বিশ্ব রাজনীতি এখন ব্লকের রাজনীতি, কিন্তু বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে ভারসাম্যের রাজনীতি করেছে। বিশ্ব রাজনীতিতে এখন তিনটি বিষয়

সবচেয়ে রাষ্ট্রচিন্তাগুরুত্বপূর্ণ: ১. ভূরাজনীতি ২. সরবরাহ শৃঙ্খল (supply chain) এবং ৩. প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা। বাংলাদেশ যদি এই তিনটির মধ্যে ভারসাম্য করতে পারে, তবে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক হবে বহুস্তরীয়- শুধু দাতা-গ্রহীতা সম্পর্ক নয়, বরং অংশীদারত্ব।

ভারতের আমন্ত্রণ একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত। দিল্লি সব সময় ঢাকার রাজনৈতিক পরিবর্তনকে সতর্ক দৃষ্টিতে দেখে। নতুন সরকারকে দ্রুত আমন্ত্রণ মানে সম্পর্কের উষ্ণতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা। একই সময় যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয়তা দেখায়-বাংলাদেশ এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অর্থনীতি, শ্রমবাজার, সামুদ্রিক অবস্থান, রোহিঙ্গা সংকট-সব মিলিয়ে দেশটি এখন ‘কৌশলগত রাষ্ট্র’। এই বাস্তবতায় নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো, কোনো পক্ষের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা না দেখিয়ে বহুমাত্রিক সম্পর্ক বজায় রাখা।

এখানে একটি সাহিত্যিক উপমা মনে পড়ে, রবীন্দ্রনাথের ‘পথের শেষ কোথায়’ প্রশ্ন। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও প্রশ্নটা একই: আমরা কি শুধু পথ চলব, নাকি পথ নির্ধারণ করব? বিশ্ব নেতাদের অভিনন্দন তাই শুধু সৌজন্য নয়; এটি একটি সুযোগ, বাংলাদেশ নিজেকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার।

কূটনীতি আসলে রাজনীতির সম্প্রসারিত সংস্করণ। ভিতরের স্থিতিশীলতা ছাড়া বাইরের সম্পর্ক শক্ত হয় না। ফলে প্রথম আলোচনার বিষয়, ট্রাম্পের চিঠি, এখানেই এসে দ্বিতীয় আলোচনার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।

৩. ছোট আচরণ, বড় বার্তা: নেতৃত্বের রাজনৈতিক নৈতিকতা

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমানের কিছু প্রতীকী আচরণ আলোচনায় এসেছে-সরকারি বিলাসী গাড়ি ব্যবহার না করা, ব্যক্তিগত গাড়িতে চলা, নিয়মিত ট্রাফিক মেনে চলা।

রাজনীতিতে প্রতীক খুব শক্তিশালী। ইতিহাসে বহু সময় দেখা গেছে, একটি ছোট আচরণ মানুষের আস্থা তৈরি করে। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন মানুষের অভিযোগ ছিল ক্ষমতা মানেই দূরত্ব। তাই যখন মানুষ দেখে প্রধানমন্ত্রী ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়ান-এটি শুধু একটি ছবি নয়, একটি রাজনৈতিক বার্তা।

কিন্তু এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন: এটি কি ধারাবাহিক হবে? বাংলাদেশের রাজনীতিতে শুরু ভালো হওয়া নতুন নয়; ধারাবাহিকতা বিরল। এই সরকার যদি আচরণগত সংস্কারকে প্রশাসনিক সংস্কারে রূপ দিতে পারে, তখনই পরিবর্তন বাস্তব হবে।

হাস্যরসের ভাষায় বলা যায়-বাংলাদেশের রাজনীতি অনেকটা নতুন বছরের জিম মেম্বারশিপের মতো। শুরুতে সবাই নিয়মিত যায়, পরে কার্ডটাই থাকে, মানুষ থাকে না। নেতৃত্বের আসল পরীক্ষা সেখানেই। এই আচরণগুলো যদি নীতি, স্বচ্ছতা ও প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে সেটিই হবে প্রকৃত ‘নতুন রাজনীতি’।

এখানে আরেকটি মাত্রা আছে। বিশ্ব যখন নতুন সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে, তখন এই ধরনের আচরণ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও ইতিবাচক বার্তা দেয়-সরকার সাদামাটা, দায়িত্বশীল এবং জনগণের কাছে থাকতে চায়।

কূটনীতি ও আচরণ আসলে আলাদা নয়। একজন নেতার ব্যক্তিগত আচরণ কখনো কখনো রাষ্ট্রের চরিত্র নির্ধারণ করে। বাংলা সাহিত্যে বারবার এসেছে-ক্ষমতা মানুষকে দূরে নিয়ে যায়। কিন্তু ইতিহাসে যাঁরা স্থায়ী হয়েছেন, তাঁরা দূরত্ব কমিয়েছেন।

৪. ফরিদুর রেজা সাগর: মানুষ, প্রতিষ্ঠান, আস্থা

রাজনীতি, কূটনীতি, রাষ্ট্র-সবশেষে দাঁড়িয়ে থাকে মানুষ এবং সংস্কৃতির ওপর।

গতকাল ছিল ফরিদুর রেজা সাগরের জন্মদিন। বাংলাদেশের টেলিভিশন ও সংস্কৃতি জগতে তাঁর অবদান আলাদা করে ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন হয় না। চ্যানেল আই এবং ইমপ্রেস টেলেফিল্মের কর্ণধার। ব্যক্তিগতভাবে আমার টেলিভিশন জীবনের সঙ্গে তাঁর নাম গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।

টেলিভিশন শুধু একটি মাধ্যম নয়; এটি আস্থা ও স্বাধীনতার জায়গা। আমার অনুষ্ঠান তৃতীয় মাত্রা দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলতে পেরেছে, এর পেছনে যে মানুষটির নীরব অবদান সবচেয়ে বড়, তিনি সাগর ভাই। তৃতীয় মাত্রার দীর্ঘ পথচলায় তিনি শুধু প্রতিষ্ঠানের প্রধান নন, তিনি আস্থার জায়গা। স্বাধীনতা দিয়েছেন, সৃজনশীল ঝুঁকি নিতে উৎসাহ দিয়েছেন এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ-মানুষ হিসেবে পাশে থেকেছেন। ২৩ বছরের বেশি সময়, আট হাজারের বেশি পর্ব-সংখ্যা দিয়ে এই যাত্রা বোঝানো যায়, কিন্তু এর ভিতরের সম্পর্ক সংখ্যার বাইরে।

একজন সম্পাদক, উদ্যোক্তা বা সাংস্কৃতিক সংগঠক অনেকেই হন। কিন্তু যিনি মানুষকে স্বাধীনতা দেন, তিনি বিরল। তিনি সেই বিরল মানুষের একজন। বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিশু সাহিত্য-সব জায়গায় তাঁর প্রভাব আছে। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি মানুষকে বিশ্বাস করা।

আমি প্রায়ই বলি-কারও জীবনে যদি সাগর ভাই থাকেন, তবে তাঁর আলাদা করে বন্ধু, ভাই বা অভিভাবকের দরকার হয় না। এই বাক্য শুধু আবেগ নয়; এটি তাঁর ব্যক্তিত্বের সারাংশ। বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির ইতিহাসে কিছু মানুষ আছেন যাঁরা আলোয় থাকেন না, কিন্তু আলো তৈরি করেন। ফরিদুর রেজা সাগর সেই ধরনের মানুষ।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় আমরা নেতৃত্ব নিয়ে কথা বলি; কিন্তু সংস্কৃতির নেতৃত্বও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রাজনীতি সমাজকে চালায়, সংস্কৃতি সমাজকে বাঁচায়। রাষ্ট্রচিন্তার সঙ্গে এই প্রসঙ্গ কেন যুক্ত? কারণ সংস্কৃতি ছাড়া রাষ্ট্রের আত্মা থাকে না। এবং রাজনীতি যদি মানবিক না হয়, তাহলে তা টেকসই হয় না।

চারটি প্রসঙ্গ, এক বাস্তবতা

এই চারটি বিষয় আলাদা মনে হলেও আসলে একই গল্পের অংশ। ট্রাম্পের চিঠি দেখায়-বিশ্ব বাংলাদেশকে নতুনভাবে দেখছে। বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া দেখায়-সম্পর্কের নতুন দরজা খুলছে। প্রধানমন্ত্রীর আচরণ দেখায়-নেতৃত্বের প্রতীকী পরিবর্তন সম্ভব। আর ফরিদুর রেজা সাগরের মতো মানুষ মনে করিয়ে দেন-প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে আস্থা ও স্বাধীনতায়।

রাষ্ট্র, কূটনীতি, নেতৃত্ব ও সংস্কৃতি-এই চারটি স্তম্ভ একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত। একটিতে দুর্বলতা অন্যটিকে প্রভাবিত করে। বাংলাদেশ এখন সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে, যেখানে ‘ইমেজ’ ও ‘বাস্তবতা’ একসঙ্গে তৈরি হচ্ছে।

শেষ কথা

বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় প্রায়ই শুরু হয়, কিন্তু সব অধ্যায় সমান গুরুত্বপূর্ণ হয় না। এই মুহূর্তটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ, তিনটি জিনিস একসঙ্গে ঘটছে: নেতৃত্বের পরিবর্তন, বৈশ্বিক আগ্রহ এবং মানুষের প্রত্যাশা।

চিঠি আসবে, অভিনন্দন আসবে, প্রতীকী ছবি আসবে-এগুলো প্রয়োজনীয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ইতিহাস লিখবে ধারাবাহিকতা, নীতি ও প্রতিষ্ঠান। রাজনীতির ভাষায় বলা যায়-ক্ষমতা পাওয়া ঘটনা, আস্থা পাওয়া প্রক্রিয়া। আর ব্যক্তিগতভাবে আমি জানি-যেমন একটি অনুষ্ঠান দীর্ঘদিন চলতে পারে শুধু স্বাধীনতা ও আস্থার কারণে, তেমনি একটি রাষ্ট্রও এগোয় সেই একই নীতিতে।

বাংলাদেশের সামনে সুযোগ আছে। চ্যালেঞ্জও আছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আমরা কি এই সুযোগকে নীতিতে রূপ দিতে পারব? সময় উত্তর দেবে। কিন্তু ইতিহাস অপেক্ষা করছে।

(এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই–এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: ট্রাম্পের চিঠিশুভেচ্ছা না কৌশল
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়ায় কানাডায় ড. জহুরুল করিমকে সংবর্ধনা

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
ক্লড চ্যাটজিপিটি জেমেনি

ক্লড-চ্যাটজিপিটি-জেমেনি: কে এগিয়ে, কার কী ক্ষমতা?

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

স্বর্ণের দাম ভরিতে কমেছে ২ হাজার টাকার বেশি

এপ্রিল ২৮, ২০২৬

পিএসজির ‘চ্যালেঞ্জ’ নেয়ার মত কেউ থাকলে সেটা বায়ার্ন: কোম্পানি

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা পর্যালোচনা করছেন ট্রাম্প

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT