মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী ৬ এপ্রিলের মধ্যে ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চান তিনি। অন্যথায় দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা চালানো হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। ইরান একান্ত বৈঠকে কিছু বিষয়ে একমত হয়েছে বলেও জানা গেছে।
সংবাদমাধ্যম দ্যা ইকনোমিক টাইমস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তবে দ্রুত চুক্তি না হলে এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে না দিলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলক্ষেত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি স্থাপনায় হামলা চালাতে পারে।
তিনি আরও জানান, গত সপ্তাহে ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা ১০ দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছিল, যার সময়সীমা ৬ এপ্রিল শেষ হচ্ছে।
এদিকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে একে অবাস্তব, অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত বলে আখ্যা দিয়েছে। একই সঙ্গে দেশটি ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এ সংঘাত ইতোমধ্যে পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে ইয়েমেন ও লেবাননের বিভিন্ন গোষ্ঠীও জড়িয়ে পড়েছে।
বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন হয় যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে, সেটি কার্যত অবরুদ্ধ করে রেখেছে ইরান। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও নৌ-পরিবহন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রও মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে। ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন-এর হাজারো সেনা ইতোমধ্যে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে, যদিও মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


