চলমান যুদ্ধের বহুমাত্রিক চাপ এবং এর অর্থনৈতিক প্রভাব সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক ধকল থেকে বেরিয়ে আসতে তিনি একটি নিরাপদ প্রস্থান পথ বা এক্সিট র্যাম্প খুঁজছেন।
মার্কিন গণমাধ্যম দ্য হিলের হোয়াইট হাউস কলামিস্ট নিয়াল স্ট্যানেজ আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, শুরু থেকেই এই যুদ্ধ মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে জনপ্রিয় ছিল না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর নেতিবাচক প্রভাব সাধারণ জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বাড়াচ্ছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি খরচ বেড়ে গেছে, যা জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করছে। এর রাজনৈতিক মূল্য দিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অনাগ্রহী।
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা-কল্পনা বাড়ছে। একটি মহল মনে করছে, তিনি সময়ক্ষেপণ করছেন, যাতে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করা যায়। একইসঙ্গে তার বক্তব্যগুলো কৌশলগত বিভ্রান্তি তৈরির অংশ হতে পারে অথবা নীতিগত আকস্মিক পরিবর্তনের ইঙ্গিতও বহন করতে পারে।
আগামী শুক্রবার ট্রাম্পের ঘোষিত সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। একই সময়ে ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত মার্কিন মেরিন সদস্যদের পৌঁছানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। এই বিষয়ে স্ট্যানেজ বলেন, সময়সীমা শেষ হওয়া এবং নতুন সেনা মোতায়েনের সময় এক হওয়াটা রহস্যজনক এবং তা বিশ্লেষকদের মধ্যে প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
বর্তমানে হোয়াইট হাউস দ্বিমুখী চাপে রয়েছে একদিকে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও অর্থনৈতিক সংকট, অন্যদিকে সামরিক কৌশলগত অবস্থান। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ বিশ্ব রাজনীতির গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।








