মার্কিন সিনেটর মার্কো রুবিওকে নতুন প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করতে যাচ্ছেন নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিগত কয়েক বছরে চীন, ইরান এবং কিউবাসহ আমেরিকার ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রতি শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতির পক্ষে কথা বলেছেন তিনি।
আজ (১২ নভেম্বর) একটি প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য ট্রাম্পের শর্টলিস্টে থাকা রুবিও সম্ভবত সবচেয়ে যুদ্ধানুকূল মনোভাবাপন্ন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। ফ্লোরিডায় জন্ম নেয়া এই রাজনীতিবিদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ‘লাতিনো বংশোদ্ভূত’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারেন।
ট্রাম্পের কিছু সমর্থক অবশ্য তার সিদ্ধান্তে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। কারণ রুবিও বরাবর এমন শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতির পক্ষে ছিলেন যা ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সাংঘর্ষিক। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রুবিও কিছু ক্ষেত্রে তার অবস্থান নরম করেছেন, যাতে তা ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে শীর্ষ চীন-বিরোধী হিসেবে পরিচিত রুবিও। সেনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির শীর্ষ রিপাবলিকান সদস্য হিসেবে তিনি বাইডেন প্রশাসনের ওপর চাপ বজায় রেখেছিলেন। এই বছরের শুরুর দিকে চীনা প্রযুক্তি কোম্পানি হুয়াওয়ের সব বিক্রয় বন্ধ করার দাবি জানান তিনি।







