‘উইকেট হারানো আমাদের খেলার জন্য ক্ষতিকর। যদি আমাদের শেষ তিনটি খেলা দেখেন, আমরা কয়েক ওভারে ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারিয়েছি। এতে রানের গতি পাওয়া যাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে ইনিংস মেরামতের কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন।’
২০৯ রানের বড় লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ব্যাটে আগ্রাসী শুরুর পর ধারাটা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। চারে নেমে সাকিব আল হাসান ৪৪ বলে ৮ চার ও এক ছক্কায় ৭০ রানের ইনিংস খেললেও ম্যাচ শেষে অসন্তোষই ঝরল অধিনায়কের কণ্ঠে। ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারানোয় রানের গতি সচল থাকছে না, বলছেন তিনি।
ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং ছিল বিবর্ণ। ব্যাটে টি-টুয়েন্টি সুলভ ছিল না কিছুই। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৮ রানে হারের দিনে অবশ্য ব্যাটিংয়ে মিলেছে খানিকটা টি-টুয়েন্টি ঝলক। শেষ ১০ ওভারে অবশ্য উইকেট পতনের চিরচেনা দৃশ্যই।
প্রথম ১০ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ৯০ রান। পরের ১০ ওভারে ৭০ রান তোলা গেছে, ৪ উইকেট হারিয়ে। স্রোতের বিপরীতে রানের গতি ঠিক রাখার চেষ্টা করেছেন সাকিব, অন্যপ্রান্তে যোগ্য সঙ্গ পাননি।
টুর্নামেন্টে প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৪৬ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ১৩৭ রানের বেশি যেতে পারেনি। তৃতীয় ম্যাচে এসে ১৬০, খানিকটা ইতিবাচকই।
সাকিব বলেন, ‘যখন রান করেন তখন ভালো অনুভব করেন। আমরা ভালো খেলেছি। আজকের পিচ আগেরটা চেয়ে আলাদা ছিল। নিউজিল্যান্ড ভালো সংগ্রহ পেয়েছিল। আমরা খেলায় সবসময় পিছিয়ে ছিলাম। যদি ১৫-২০ রান আরও বেশি করতাম, তাহলে ভালো হতো।’
বিশ্বকাপ শুরুর খুব দেরি নেই। অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার আগে দলের সঠিক কম্বিনেশনই খুঁজে বের করতে পারেনি বাংলাদেশ। সাকিব জানালেন, সেটি থেকে দল খুব বেশি দূরেও নেই। তবে এখনও অনেককিছু ঠিক করা বাকি, সেটিও জানিয়ে দিলেন।
‘আমাদের কিছু ক্ষেত্র আছে যা আমাদের ঠিক করতে হবে। জানি বিশ্বকাপের দলটা ঠিক কী, আমরা বিশ্বকাপের সেরা কম্বিনেশন বোঝার জন্য কিছু ছেলেকে একটা ম্যাচ দেয়ার চেষ্টা করছিলাম।’
টানা ৩ ম্যাচ হেরে ফাইনালের আগেই টাইগারদের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে। হাতে এখনো আছে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিয়মরক্ষার খেলা। বৃহস্পতিবারের ম্যাচটিকে বিশ্বকাপের আগে গুরুত্বপূর্ণই বললেন সাকিব, ‘আমরা আগামীকাল জিততে চেষ্টা করবো। এটা আমাদের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ খেলা।’







