কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচনের কারণে নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত ঠেকাতে যানবাহন চলাচলে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছে দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা। রিকশা ও লোকাল কোনো যানবাহন না থাকায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পায়ে হেঁটে যেতে হচ্ছে তাদের।
সোমবার (১২ জুন) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। এ কারণে শহরের বিভিন্ন মোড়ে বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও আনসার সদস্যরা যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচলে বাধা দিচ্ছেন। বাস টার্মিনাল, কলাতলী, সুগন্ধা ও হলিডে মোড়ে ফুটপাত দিয়ে বিভিন্ন পর্যটককে হাতে লাগেজ বহন করে হাঁটতে দেখা গেছে।
ঢাকা মিরপুর থেকে আসা পর্যটক শাইনুল কবির চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘আজ কক্সবাজারে নির্বাচন চলবে, তা মাথায় ছিল না বলে সময় পেয়ে ঘুরতে চলে এসেছি। কিন্তু সকালে বাস থেকে নেমে লোকাল গাড়ি পাচ্ছি না। তাই কোনো উপায় না পেয়ে হেঁটে হেঁটে হোটেলে যাচ্ছি।’
কুমিল্লার হাফিজুল ইসলাম চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘কক্সবাজারে নির্বাচন হবে সেটা জানতাম, কিন্তু এভাবে গাড়ি চলাচল করতে দিবে না, তা বুঝতে পারিনি। এখানে এসে গাড়ি না পেয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। একটা রিকশাও পাচ্ছি না।’
কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম নেওয়াজ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘সাপ্তাহিক ছুটির দিন শেষে কক্সবাজারে অবস্থানরত বেশিরভাগ পর্যটক রোববার চলে গেছেন। যেসব পর্যটক এখনও কক্সবাজারে রয়েছেন, তাদের কষ্টটা আমরা দেখতে পাচ্ছি। তারপরও নির্বাচনী নিয়ম-কানুনের জন্য পর্যটকদের এই সাময়িক সমস্যার জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।’
এ ব্যাপারে কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন ‘পর্যটকরা থাকবে সাগরপাড়ে। রাস্তায় পর্যটকদের কাজ নেই।’
নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ৪৩ টি কেন্দ্রের প্রতি কেন্দ্রে ৪ জন পুলিশসহ পুরুষ ও মহিলা আনসার বাহিনীর ১৩ সদস্য, ১২ টি ওয়ার্ডে পুলিশের ১২ টি টহল টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্সসহ ৭৯০ জন পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি ৭ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১২ টি পেট্রোল টিম এবং ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তিনজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছে।







