বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র কারণে কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৮নং মহাবিপদ সংকেত দেখানোর পর সমুদ্র পর্যটকদের জন্য সাময়িকভাবে সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন। সমুদ্রে নামা নিরুৎসাহিত করতে এর আগে সব ধরনের সেবা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। এজন্য কক্সবাজারকে মহাবিপদ সংকেত দেখানোর কারণে হাজারো পর্যটক মধ্যরাতে কক্সবাজার ছেড়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার পর্যটন সেলের ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম বিল্লাহ বলেন, ঘূর্নিঝড় মোখার কারণে সাগর প্রচণ্ড উত্তাল। এই কারণে শনিবার (১৩ মে) সকাল থেকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটক নামা সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে সমুদ্র সৈকতের ৫টি প্রবেশদ্বার গুলোতে লাল পতাকা টাঙ্গানো হয়েছে। এছাড়া সৈকতে যাবতীয় সেবা যেমন, জেটস্কি, কীটকট, প্যারাসাইক্লিং, টায়ার টিউব সহ অন্যান্য সেবা শুক্রবার বিকাল থেকেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ আদেশ পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
কক্সবাজারকে ৮নং মহাবিপদ সংকেত আতঙ্কে কক্সবাজার ছেড়েছেন ১ হাজারেরও বেশি পর্যটক। শুক্রবার দিনগত রাত ১টার দিকে পরিবহন সংশ্লিষ্ট ও কয়েকজন পর্যটকের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার আসতে না পারায় ৫দিনের ছুটিতে কক্সবাজার বেড়াতে আসেন অনেকে কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কক্সবাজার ছাড়তে হচ্ছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে তাই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন তারা।
এ সময় খুলনা থেকে আস তুহিন-আনিকা দম্পত্তি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে তারা কক্সবাজার এসেছিলেন তিন দিনের ছুটি কাটাতে। কিন্তু ৮নং মহাবিপদ সংকেত ঘোষণার পর ভয়ের কারণে রাতেই ঢাকায় ফিরে জাচ্ছেন তারা।
হোটেল মোটেল গেষ্ট হাউসের মুখপাত্র করিম উল্লাহ বলেন, শনিবার থেকে কক্সবাজারকে পর্যটক শূন্য বলা চলে। হোটেল মোটেল জোন এর গেস্ট হাউজগুলোর একটি ফ্লোর খালি রাখা হয়েছে মানুষকে আশ্রয় দেয়ার জন্য।








