ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নাড়ির টানে দক্ষিণাঞ্চলীয় ২১ জেলার মানুষ বাড়ি ফিরছে অনেকটাই স্বাচ্ছন্দ্যে। গেল কয়েকদিনের তুলনায় আজ বুধবার (১৭ মার্চ) সকাল থেকেই ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক আলতাফ হোসেন শেখ জানান, মুন্সিগঞ্জের মাওয়া দিয়ে পদ্মা সেতুতে প্রতি মিনিটে উঠছে ৪৫-৫০টি যানবাহন।
পদ্মা সেতুর মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন। মহাসড়কে যানবাহনের ব্যাপক চাপ থাকলেও কোথাও কোনো যানজট সৃষ্টি হয়নি।
পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় বড় যানবাহনের জন্য সাতটি এবং মোটরসাইকেলের জন্য তিনটি আলাদা টোল কাউন্টার চালু থাকায় দ্রুত সময়ের মধ্যে টোল আদায় সম্পন্ন হচ্ছে। ফলে টোল প্লাজায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি ছাড়াই চালকরা সেতু পার হতে পারছেন। কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই এবারের ঈদ যাত্রা করতে পেরে সাধারণ যাত্রীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
মুন্সিগঞ্জের মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে জেলা পুলিশের প্রায় পাঁচশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
আলতাফ হোসেন শেখ জানান, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ১২টা থেকে আজ বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ৩৩ ঘন্টায় মাওয়া প্রান্ত হয়ে সেতুতে উঠেছে ৫১ হাজার ৪শ ৩২ টি যানবাহন। টোল আদায় হয়েছে ৫ কোটি ৭০ লক্ষ ১৪ হাজার ৫শ ৫০ টাকা।
তিনি আরও বলেন, আজকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির চাপ আরও বাড়বে। যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেতু কর্তৃপক্ষও প্রস্তুত রয়েছে।








