এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এর মৃত্যুতে তার জন্মভূমি ভোলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে স্বজন, শুভানুধ্যায়ী ও স্থানীয়দের ভিড় বাড়ছে। এরই মধ্যে সেখানে কবর খোঁড়ার কাজও শুরু হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ (২ জুন) মঙ্গলবার ঢাকায় থেকে হেলিকপ্টারে করে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ভোলায় পৌঁছাবে। ভোলা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে হেলিকপ্টারটি অবতরণ করার পর মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সযোগে ভোলা বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হবে।
সেখানে জোহরের নামাজের পর তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে মরদেহ নিজ গ্রাম কোড়ালিয়ায় নেওয়া হবে। পরে তার মা-বাবা ও স্ত্রীর কবরের পাশে দাফন করা হবে। তবে পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গ্রামের বাড়িতেও আরেকটি জানাজার আয়োজন করা হতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকা তোফায়েল আহমেদ রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন অভিজ্ঞ ও প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সক্রিয় সংগঠকদের একজন ছিলেন। ছাত্ররাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই নেতা ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
মাত্র ২৭ বছর বয়সে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। রাজনৈতিক জীবনে নয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।








