রবি ছন্দম-এর ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশি–কানাডিয়ান প্রবাসী শিল্পী তীর্থ সাহাকে ‘শিল্পী সম্মাননা’ প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা ও পরিচালনায় ছিলেন কলকাতার প্রখ্যাত শিল্পী শ্রী অলক রায় চৌধুরী। তাঁর হাত থেকেই সম্মাননার স্মারক গ্রহণ করেন তীর্থ সাহা।
বৃহস্পতিবার ১৫ জানুয়ারি, কলকাতার ঐতিহ্যবাহী রবীন্দ্র সদনে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।
অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিপুল সংখ্যক শিল্পী, কলাকুশলী ও দর্শকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তীর্থ সাহার পাশাপাশি কলকাতার আরেক বিশিষ্ট শিল্পী জয়দীপ চক্রবর্তীকেও সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা গ্রহণের পর তীর্থ সাহা মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন।
কানাডার আলবার্টা প্রদেশের ক্যালগেরিতে বসবাসরত সুপরিচিত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী তীর্থ সাহা চার বছর বয়সে মায়ের কাছে সংগীতের তালিম নেওয়া শুরু করেন। পরবর্তীতে সংগীত ভবন থেকে রবীন্দ্রসংগীতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নৃতত্ত্ব (এনথোপোলজি) বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। রবীন্দ্রসংগীত চর্চার পাশাপাশি অভিনয়েও তিনি সমানভাবে দক্ষ। ‘তীর্থ মিউজিক চ্যানেল’ নামে তাঁর একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে, যেখানে তাঁর পরিবেশিত একাধিক রবীন্দ্রসংগীত প্রকাশিত হয়েছে।
সম্মাননা প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় তীর্থ সাহা গণমাধ্যমকে জানান, এই সম্মান শুধু আমার একার নয়, এটি কানাডায় বসবাসরত সকল বাংলাদেশি এবং সমগ্র বাংলাদেশের জন্য গৌরবের। আমাকে এই সম্মাননা প্রদানের জন্য রবি ছন্দম ও আয়োজকদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।
শিল্পীর সফরসঙ্গী খায়ের খোন্দকার রুবেল বলেন, তীর্থ সাহার এই সম্মাননায় আমরা সকল বাংলাদেশিই সম্মানিত। প্রবাসে তাঁর সংগীতচর্চা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে—এটাই আমার বিশ্বাস।
উল্লেখ্য, শিল্পী তীর্থ সাহা বাংলাদেশের প্রথিতযশা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি মহাদেব সাহার জ্যেষ্ঠ পুত্র।








