বাংলা নববর্ষ ঘিরে শাহবাগ-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
আজ সোমবার ‘বাংলা নববর্ষ ১৪৩২’ উদযাপন উপলক্ষে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, র্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাংলামোটর মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে ডাইভারশন দেওয়া হয়েছে। যাতে বাসসহ বড় যানবাহন শাহবাগের দিকে যেতে না পারে। নেভি গলির মুখে আরেকটি পুলিশের আরেকটি ব্যারিকেড আছে। যাতে ছোট যানবাহনগুলোকেও শাহবাগের দিকে যেতে না পারে। এরপর থেকে শাহবাগ যাওয়া মানুষজনকে হেঁটেই আসতে হচ্ছে।
এদিকে পুরো শাহবাগ মোড় ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে রাখতে দেখা যায়। যাতে কেউ শোভাযাত্রায় সামনে দিয়ে প্রবেশ করতে না পারে। পুলিশের পাশাপাশি র্যাব ও সেনাবাহিনীসহ অন্যনা বাহিনীর সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।
র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) এ কে এম শহিদুর রহমান বলেন, পুরো রাজধানীতে নববর্ষের অনুষ্ঠান ঘিরে আমাদের মোটর সাইকেল পেট্রোল, গাড়ি পেট্রোল, চেক পোস্ট, অবজারভেশন টাওয়ার এবং আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে। আমরা অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে নববর্ষের অনুষ্ঠানটি যাতে সুষ্ঠুভাবে করা যায় সে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে র্যাবের বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড দ্বারা সুইপিং সম্পন্ন করা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সুইপিং পরিচালনার পাশাপাশি র্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড যে কোন উদ্ভুত পরিস্থিতির জন্য সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে।
ঢাকাবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এস এন মো. নজরুল বলেন, ঢাকাবাসী আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমরা যে ব্যারিকেড দিয়েছি সেগুলো তারা মেনে চলছে। ডিএমপির পক্ষ থেকে দেওয়া নির্দেশনা মেনে তারা নববর্ষ পালন করতে আসছে।
তিনি আরও বলেন, পুরো রাজধানীর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে। ডিএমপির ১৮ হাজার ফোর্সের পাশাপাশি র্যাব, সেনাবাহিনীসহ আমাদের সাইবার ও ডিবি টিম কাজ করছে। আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক আছি। সবাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করবেন এমনটাই প্রত্যাশা করছি।








