সিরিয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠী আইএসআইএল-এর (আইএসআইএস) এক অতর্কিত হামলায় দুই মার্কিন সেনা সদস্য ও একজন বেসামরিক দোভাষী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মধ্য সিরিয়ায় চালানো ওই হামলার পর একমাত্র বন্দুকধারীকে ঘটনাস্থলেই হত্যা করা হয়েছে।
সরকারি ও গণমাধ্যম সূত্র জানায়, হামলায় আরও তিনজন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। পাশাপাশি কমপক্ষে দুইজন সিরিয়ান সেনা সদস্যও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এক বছর আগে সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর, দেশটিতে মার্কিন বাহিনীর ওপর এটিই প্রথম প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, আহত মার্কিন সেনারা বর্তমানে “ভালো আছে”। তবে তিনি আইএসআইএলের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। ট্রাম্প লেখেন, এটি ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আইএসআইএসের একটি আক্রমণ সিরিয়ার এমন একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক অঞ্চলে, যা তাদের দ্বারা সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রিত নয়। এর জন্য প্রতিশোধ হবে অত্যন্ত কঠোর
তিনি আরও দাবি করেন, সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা এই হামলায় “অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ও উদ্বিগ্ন”।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথও একই সুরে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, আপনি যদি বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে আমেরিকানদের লক্ষ্য করেন, তবে আপনার বাকি সংক্ষিপ্ত ও আতঙ্কিত জীবন এই জেনেই কাটবে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপনাকে খুঁজে বের করবে এবং নির্মমভাবে হত্যা করবে।
মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ঘটনাটি ঘিরে উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। আইএসআইএলের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না—সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।








