পার্বত্য বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, রাঙামাটিতে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় পাহাড়ি হোক বাঙালি হোক যারাই জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
তিনি বলেন, সহিংসতার ঘটনা নিয়ে মামলা করতে আমি ক্ষতিগ্রস্তদের বলে দিয়েছি। আমরা চাই প্রকৃত অপরাধীরা আইনের আওতায় আসুক। নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকে আমরা লক্ষ্য রাখছি। সহিংসতার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়ন করে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সর্বাত্মক সহায়তা করা হবে।
গত ২০ সেপ্টেম্বর রাঙামাটিতে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় আজ বুধবার ৯ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পার্বত্য বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।
তিন পার্বত্য জেলায় পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সুপ্রদীপ চাকমা আরো বলেন, যেহেতু পার্বত্য এলাকায় একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে, সে কারণে আপাতত এ বিষয়ে প্রশাসন একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পাহাড়ের সবকিছু স্বাভাবিক হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পাহাড়ে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের কঠিন চীবর দানোৎসব পালন না করার সিদ্ধান্তের বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিহার সংশ্লিষ্টদের সাথে আলাপ করবেন বলে জানান পার্বত্য উপদেষ্টা।
বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় পার্বত্য উপদেষ্টা প্রথমে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কার্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেন।
পরে উপদেষ্টা সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এসকে মার্কেট, বনরুপা কাটা পাহাড়, বনরুপা জামে মসজিদ, কাঠালতলী মৈত্রী বিহার পরিদর্শন করেন।
এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা), পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান, জেলা পুলিশ সুপার ড. ফরহাদ হোসেন, এ এস ইউ কমান্ডার লে. কর্নেল মোহাম্মদ আল মামুন সুমনসহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।








