লাতিন আমেরিকায় শুধু ফুটবলের জন্যই নয়, মাদক এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্যও আলোচিত। দেশগুলোতে সন্ত্রাসীদের হাতে হত্যার বিষয়টি প্রায় প্রতিনিয়তই ঘটে। এবার লাতিনের দেশ ইকুয়েডরের একই মাসে গুলিতে প্রাণ গেছে তিন ফুটবলারে। যার মধ্য সবশেষ শুক্রবার মারা যান জোনাথান গঞ্জালেস। তার আগে খুন হন মাইকেল ভ্যালেন্সিয়া এবং লিয়েন্দ্রো ইয়েপেজ।
৩১ বর্ষী গঞ্জালেস দেশটির দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব দে জুলিও এফসির হয়ে খেলতেন। গঞ্জালেস লাতিন ফুটবলে ‘স্পিডি’ নামে পরিচিত। ১০ সেপ্টেম্বর খুন হন ভ্যালেন্সিয়া এবং ইয়েপেজ। দুজনে খেলতেন দ্বিতীয় বিভাগের দল এক্সাপ্রোমো কোস্টা এফসির হয়ে।
লাতিন গণমাধ্যমের খবর, ইকুয়েডরের উত্তরাঞ্চলীয় উপকূলীয় অঞ্চল এসমেরালদাসে একটি বাড়িতে ছিলেন গঞ্জালেস। সে বাড়িতে ঢুকে সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি গুলি চলালায়। ঘটনাস্থলে তিনি মারা যান, এসময় তার সাথে থাকা একজন গুলিবিদ্ধ হলে তাকে হাসপাতালে নেয়ার পর তিনিও মারা যান। এসমেরালদাসে হল ইকুয়েডরের একটি স্থান যেখান দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোকেন উৎপাদনকারী দেশ কলম্বিয়া ও পেরু মাদক পাচার করে। পথটি ব্যবহার করে বিশ্বের ৭০ শতাংশ কোকেন পাচার হয়।
চলতি মাসে ভ্যালেন্সিয়া এবং ইয়েপেজের উপরে হামলা হয়। ঘটনাস্থলে সন্ত্রাসীদের গুলিতে প্রাণ হারান ইয়েপেজ। ভ্যালেন্সিয়াকে নেয়া হয় হাসপাতালে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুদিন পরে তিনিও মারা যান।
ইকুয়েডরে মাদক এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে প্রতি বছরেই প্রাণ হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। দেশটিতে ২০২৩ সালে প্রাণ হারায় ৪৭ জন, গত বছর প্রাণ হারায় ৩৮ জন।








