আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে চীনের পণ্যের ওপর ট্যাক্স বসানোর চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানালেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইইইউ’র ওপরেও ট্যাক্স বসানোর হুমকি দিয়েছেন।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিন থেকে চীনের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ হারে শাস্তিমূলক ট্যাক্স বসানো নিয়ে প্রশাসন চিন্তাভাবনা করছে। কারণ চীন থেকে মেক্সিকো ও কানাডা হয়ে ফেন্টানিল যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকছে। ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই ট্যাক্স বসানোর কথা জানিয়েছেন।
প্রচারের সময় তিনি অবশ্য বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর কোনো সময় নষ্ট না করে তিনি এই ট্যাক্স বসাবেন। তবে এবার তিনি ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চীনের ওপর ট্যাক্স চালু করার কথা বললেন। তিনি ইতিমধ্যেই মেক্সিকো ও কানাডার ওপর ২৫ শতাংশ হারে ট্যাক্স বসানোর কথা বলেছেন।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইইউ ও আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য-বৈষম্য আছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন আমাদের প্রতি খুবই খারাপ মনোভাব দেখাচ্ছে। তাই তাদের ওপর মাসুল বসবে। এভাবেই আপনারা ন্যায় পেতে পারেন।
ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, কানাডা ও মেক্সিকো যদি বেআইনি অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে আসা এবং চীন থেকে ফেন্টানিল আসা বন্ধ না করে, তাহলে তাদের ওপরেও ট্যাক্স বসানো হবে।
হোয়াইট হাউসের বাণিজ্য সংক্রান্ত পরামর্শদাতা পিটার নাভারো মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সিএনবিসিকে বলেছিলেন, কানাডা ও মেক্সিকোর ওপর ট্রাম্পের মাসুল বসানোর হুমকির কারণ আসলে তাদের চাপে রাখা। যাতে তারা বেআইনি অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে আসা বন্ধ করে। বেশি পরিমাণ ফেন্টানিলের ফলে প্রতিদিন ৩০০ মতো মানুষ মারা যান।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে ভিডিও কলে কথা হয়েছে। ট্রাম্পের শপথগ্রহণের পরের দিনই এই ভিডিও কলে আলোচনা করে তারা জানালেন, দুই দেশ তাদের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করবে।
সূত্র: ডয়েচে ভেলে (ডিডব্লিউ)







