এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
জাপানের পার্লামেন্ট নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল না ক্ষমতাসীন দল এলডিপি’র নেতৃত্বাধীন জোট। এক দশকের মধ্যে এটাই জোটটির সবচেয়ে খারাপ ফল। এই জোট ২১৫টি আসনে জিতেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য তাদের প্রয়োজন ছিল ২৩৩টি আসন। এরই মধ্যে জাপানের প্রধানমন্ত্রীত্ব নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা গত মাসে ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন। তার উত্তরসূরি নির্বাচিত হয়েছেন ইশিবা শিগেরু। এলডিপি’র নতুন নেতা ইশিবা প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেয়ার আগেই এই নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু নির্বাচনে তিনি বড় ধাক্কা খেলেন।
আজ (২৮ অক্টোবর) সোমবার জাপানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম এনএইচকেতে তিনি বলেছেন, ভোটদাতারা আমাদের কঠিন শাস্তি দিয়েছে। এই ফলাফল আমি মাথা পেতে নিচ্ছি। জাপানের মানুষ চাইছে, এলডিপি যেন আত্মসমীক্ষা করে। আমরা মানুষের ইচ্ছে অনুযায়ী কাজ করব।
সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে থাকবেন এবং সংখ্যালঘু সরকার চালাবেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমি মানুষের জীবন সুরক্ষিত করার জন্য আমার দায়িত্ব পালন করতে চাই। আমি জাপানকে সুরক্ষিত করতে চাই। আমি রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হতে দেব না।
৬৭ বছর বয়সি এই প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ফান্ড কেলেঙ্কারির জন্য জনগণ তাদের শাস্তি দিয়েছে। মানুষ দেখেছে তহবিলের জন্য যে অর্থ তোলা হয়েছে, তা দলের নেতাদের পকেটে গেছে। তিনি বলেন, আমি অর্থ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কার করতে আইন করব।
সূত্র: ডয়চে ভেলে








