কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘাত-সংঘর্ষে নিহতদের পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিহতদের স্বজনরা প্রধানমন্ত্রীকে দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন, চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী নিজেও।
রোববার (২৮ জুলাই) কোটা সংস্কার আন্দোলনে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যারা নিহত হয়েছেন, এমন ৩৪ জনের পরিবারের সদস্যরা আসেন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে।
প্রধানমন্ত্রী নিহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের সান্ত্বনা দেন। স্বজন হারানোর সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা নেই উল্লেখ করে এসময় প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, খুনিদের অবশ্যই বিচার নিশ্চিত করা হবে।
নিহতদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি সবসময়ই পাশে আছেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, কীভাবে একজন মানুষ আরেকজনকে মেরে ঝুলিয়ে রাখতে পারে? খুনিদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর প্রত্যয় জানান প্রধানমন্ত্রী।
যে কোন প্রয়োজনে সরকার তাদের পাশে আছে বলেও আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দেশে গত ১৮ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ ছিল। পরে সীমিত পরিসরে চালু হলেও ইন্টারনেট সেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। আজ বিকালে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা চালু করা হবে।
এছাড়া গত ১৯ জুলাই শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে রোববার ২১ জুলাই সকাল ১০টা পর্যন্ত সারাদেশে কারফিউ জারি করে সরকার। এরপর অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করা হয়। যদিও প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা করে শিথিল করা হচ্ছে কারফিউ। পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাওয়ায় ধীরে ধীরে কারফিউ শিথিলের সময় বাড়ছে।








