চাঁদপুরের মেঘনা নদীর মাঝির বাজারে এলাকায় থামানো অবস্থায় থাকা মেসার্স বৃষ্টি এন্টারপ্রাইজের আল বাখেরাহ নামক জাহাজ থেকে উদ্ধার করা ৭ লাশের পরিচয় মিলেছে। এখন লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) চাঁদপুর নৌ-থানা অফিসার ইনচার্জ এইট এম ইকবাল এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
নিহতরা হলেন- জাহাজের মাস্টার কিবরিয়া, ইঞ্জিন চালক সালাউদ্দিন, সুকানি আমিনুল মুন্সি, গ্রিজার সজিবুল, আজিজুল ও মাজেদুল ইসলাম। নিহত একজনের নাম জানা যায়নি। আর আহত ব্যক্তির নাম জুয়েল। আহত ও নিহত ব্যাক্তিদের বাড়ি ফরিদপুর ও নড়াইল জেলায়।
এ ঘটনা উদঘাটনের জন্য সিআইডি, পিবিআই ও পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে বলে জানান নৌ পুলিশের এ কর্মকর্তা।
নিহতের স্বজনরা জানান, এটা ডাকাতি নয়, পরিকল্পিত হত্যা। এর সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি ও স্বজনদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানান নিহতের স্বজনরা।
এদিকে এ ঘটনায় চাঁদপুর লঞ্চঘাটে নৌ থানার সামনে নৌযান শ্রমিকের বিক্ষোভ করেছে। দোষদের শাস্তিসহ নিহত প্রতি জনের পরিবারকে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ না করলে ২৬ ডিসেম্বর রাত ১২.১ মিনিট থেকে লাগাতর ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন নৌ-শ্যমিকরা।
উল্লেখ্য, সারবহনকারী আল বাখেরাহ রোববার সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসে। এরই মধ্যে কোম্পানির মালিক শিপন বাখেরাহ জাহাজে ফোন করে কাউকে পাননি। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় মুগনি জাহাজ থেকে যোগাযোগ করার জন্য বলে। এমন সময় মুগনি জাহাজটি মাওয়া থেকে ঘটনাস্থল দিয়ে অতিক্রম করার সময় বাখেরাহ জাহাজটি দেখতে পায়।
তখন তারা জাহাজের লোকদের রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে ৯৯৯ কল দেয়। পরে সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে মাঝিরবাজার এলাকা থেকে নিহতদের লাশ ও আহতদের উদ্ধার করে কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ।








