শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে করা মামলার কার্যক্রম চলবে বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
রোববার (২০ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দিয়েছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) আপিল বিভাগ এ দিন ধার্য করেন।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আবেদন খারিজ করে ওই আদেশ দেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান বলেন, এই আদেশের ফলে আগামী ২২ আগস্ট সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে কোন বাধা থাকলো না। মামলায় ৪ জন সাক্ষী আছে বলে জানান তিনি।
আদেশের পরে হতাশা ব্যক্ত করে ডক্টর ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, শুনানির জন্য পর্যাপ্ত সময় পাননি তিনি। ওই মামলায় গত ৬ জুন নোবেল জয়ী ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক।
২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদফতরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন গ্রামীণ টেলিকমের এমডি মো. আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহান। মামলায় ড. ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকমের ১০১ জন শ্রমিক-কর্মচারীকে স্থায়ী না করা, শ্রমিকদের অংশগ্রহণের তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন না করা এবং কোম্পানির লভ্যাংশের ৫ শতাংশ শ্রমিকদের না দেয়ার অভিযোগ আনা হয়।








