অ্যাশেজে হোয়াইটওয়াশের শঙ্কা কাটিয়ে চতুর্থ টেস্ট অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিতেছে ইংল্যান্ড। তবে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ৫ দিনের বক্সিংডে টেস্ট জিততে ইংলিশদের লেগেছে মাত্র দুদিন। ১৫ বছর এবং ১৮ ম্যাচ পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জিতল ইংল্যান্ড। কিন্তু দুই দিনে ম্যাচ শেষ হওয়ায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে (সিএ) বিশাল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে সে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ।
তৃতীয় দিনে ৯০ হাজারের বেশি দর্শকের সমাগম হওয়ার কথা ছিল, যার মধ্যে ২০ হাজার সমর্থক ইংলিশদের। রোববার খেলা না হওয়ার ফলে বিপুল পরিমাণের টিকিটের অর্থ ফেরত পাওয়ার পাশাপাশি পণ্য, খাবার ও পানীয়ের বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে।
বক্সিংডে টেস্ট অ্যাশেজের অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচ। যার দর্শক চাহিদা থাকে বিপুল। বিশেষ করে তৃতীয় থেকে পঞ্চম দিন পর্যন্ত ম্যাচ গড়ালে দর্শক সংখ্যা বাড়ে দিগুণ। পার্থে প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়া যখন দুই দিনের মধ্যে ম্যাচ জিতেছিল, তখনও একই রকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যেখানে ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৩ মিলিয়ন ডলার।
মেলবোর্নের উইকেট নিয়ে গ্রাউন্ড কিউরেটর ম্যাথিউ পেজ বর্তমানে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তিনি এমন একটি পিচ প্রস্তুত করেছিলেন যেখানে ১০ মিলিমিটার উচু জীবন্ত ঘাস ছিল। অতিরিক্ত ঘাস থাকার কারণে ব্যাটিং করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
সিএর প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গ এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি সহজভাবে বলতে চাই, ছোট টেস্ট ব্যবসায়ের জন্য খারাপ। আমি এর চেয়ে বেশি স্পষ্টভাবে বলতে পারি না। আমরা আমাদের সমস্ত পদ্ধতি গ্রহণ করেছি উইকেট প্রস্তুতিতে। কিন্তু যখন আপনি খেলাধুলার উপর বাণিজ্যিকভাবে প্রভাব দেখতে পান তখন সেটা হয়ে যায় কঠিন।’
অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ বলেছেন, ‘আর্থিক অবস্থা ভালো নয় এবং আমার মনে হয় আগামীকালের সবকিছুই বিক্রি হয়ে গেছে। আমরা দুই দিনে ৩৬ উইকেট দেখেছি এবং এর থেকে বোঝা যায় যে এটি বেশ জটিল উইকেট ছিল। ম্যাচটি অনেক দ্রুত, দুই দিনে শেষ হয়েছে, এটা আদর্শ নয়। এটি যদি আরও কিছুটা দীর্ঘ হত এবং আমরা ভক্তদের আরও কিছুটা বিনোদন দিতে পারতাম।’







