চীনের অর্থনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে রাশিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের লক্ষ্য নিয়ে জাপানের হিরোশিমায় শুরু হয়েছে ৪৯তম জি-সেভেন সামিট। তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনে স্মরণ করা হবে ইউক্রেন যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণতি।
আজ ১৯ মে শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে ২১ মে রোববার পর্যন্ত চলবে এই সম্মেলন। শুরুতেই জি-সেভেন নেতারা প্রথমে হিরোশিমা সেনোটাফ পরিদর্শন করেন এবং ফুল দিয়ে পারমানবিক হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর আগে বিমানবন্দরে জি-সেভেন নেতাদের অভ্যর্থনা জানান জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা।
সম্মেলনে রাশিয়া ও চীনের বিরুদ্ধে ঐক্যফ্রন্ট গঠনের চেষ্টা করবেন বিশ্ব অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি এই সাত দেশের নেতারা। যুদ্ধের ধ্বংসাত্মক পরিণতির পটভূমিতে শুরু জি-সেভেন সম্মেলনে আলোচ্যসূচির শীর্ষে থাকবে ইউক্রেনে রাশিয়ার ১৫ মাসের যুদ্ধ।
ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধের উদ্দেশ্যে রাশিয়াকে আরও চাপে ফেলতে ৭০টি রাশিয়ান সংস্থাকে লক্ষ করে ৩’শ টি নতুন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বলেছেন যে হীরা নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি যুক্তরাজ্য রাশিয়ান তামা, অ্যালুমিনিয়াম এবং নিকেল আমদানি নিষিদ্ধ করবে এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে যুক্ত ৮৬জন ব্যক্তি ও সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে।
জি-৭ এর পূর্ণাঙ্গ রূপ হল গ্রুপ অফ সেভেন, বা সাতটি দেশের দল। বিশ্বে অর্থনীতির দিক থেকে শক্তিশালী সাতটি বড় দেশ ও একটি সংস্থা নিয়ে এই জোট গঠিত। জোটের সদস্য দেশগুলো হল কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই জোটের একটি অংশ। রাশিয়া ১৯৯৮ সালে এই জোটে যোগ দিলে সেটা জি-৮ হয়েছিল। তবে ক্রিমিয়া দখল করার কারণে ২০১৪ সালে রাশিয়া বাদ পড়ে যায় এবং আবার এই জোটের নাম হয় জি-৭।







