চুয়াডাঙ্গা সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী শিক্ষক শাকিল আরাফাতের বিরুদ্ধে স্কুলের এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার করেছে স্থানীয় পুলিশ।
মঙ্গলবার ১৯ সেপ্টেম্বর শাকিল আরাফাতকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় স্কুলের এক ছাত্রীর বাবা চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে রাতেই পৌর এলাকার শেখ পাড়ার ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত শিক্ষক ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার ফরাসপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি চুয়াডাঙ্গা সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী শিক্ষক।
অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার সকালে বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা শহরের প্রধান প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করে। বিক্ষোভ মিছিল শেষে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। পরে জেলা প্রশাসক ও বিদ্যালয়ের ব্যবস্থা কমিটির সভাপতি বরাবর স্মারক লিপি পেশ করে শিক্ষার্থীরা।

এ ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তারকে প্রধান করে চার সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শাকিল আরাফাত শহরের শেখ পাড়ার ভাড়া বাসায় ৩০ থেকে ৪০ জন ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ান। এরমধ্যে এক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। প্রস্তাবে রাজি না হলে তাকে পরীক্ষায় অকৃতকার্য করানোর হুমকি দেয়। তাতেও ছাত্রী রাজি না হওয়ায় একপর্যায়ে খাতা দেখানোর কথা বলে সোমবার সকাল ৬টার দিকে ওই শিক্ষকের বাসায় যেতে বলে। ওই ছাত্রী যথা সময় পৌঁছে দেখে শিক্ষকের বাসায় কেউ নেই।
ছাত্রী বলেন, ফাঁকা বাসায় একা পেয়ে শিক্ষক তাকে জাপটে ধরে ধর্ষণ করার চেষ্টা করেন। পরে বহু চেষ্টায় শিক্ষকের বাসা থেকে নিজেকে রক্ষা করে বের হতে সক্ষম হন। বিষয়টি তিনি সহপাঠীসহ তার অভিভাবকে জানালে তার বাবা সদর থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করে।







