শুরুতেই নেদারল্যান্ডসের দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেয় বাংলাদেশ। এরপর ওয়েসলি বারেসি ও কলিন অ্যাকেরম্যান জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। তবে সাকিব ও মোস্তাফিজের আঘাতে ফিরে যান দুজনই। চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া ডাচদের টেনে তোলার চেষ্টা করেছিলেন স্কট এডওয়ার্ডস ও বাস ডে লেডে। তবে সেই জুটিতে আঘাত হেনেছেন তাসকিন আহমেদ।
পঞ্চম উইকেট জুটিতে এ দুই ব্যাটার মিলে ৭৪ বলে ৪৪ রান তোলেন। ২৭তম ওভারে ডে লেডেকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন তাসকিন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২৮ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান তুলেছে নেদারল্যান্ডস। ৪৬ বলে ২৮ রানে স্কট এডওয়ার্ডস এবং ৪ বলে ১ রানে ব্যাট করছেন সাইব্র্যান্ড এঙ্গেলব্রেখট।
কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। তার আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি বাঁহাতি ওপেনার বিক্রমজিৎ সিং। দ্বিতীয় ওভারে পেসার তাসকিন আহমেদের বলে লংঅনে ক্যাচ তুলে দেন এ ব্যাটার, করেন ৩ রান।
বিক্রমের পথ অনুসরণ করেন আরেক ওপেনার ডানহাতি ম্যাক্স ও’ডাউড। তৃতীয় ওভারে কোনো রান যোগ করার আগেই বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামের বলে ক্যাচ দেন। ক্যাচ নিতে ভুল করেননি স্লিপে থাকা তানজিদ হাসান তামিম।
৪ রানে দুই ব্যাটারকে হারিয়ে চাপে পড়া ডাচদের টেনে তোলেন কলিন অ্যাকেরম্যান ও ওয়েসলি বারেসি। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৫৯ রান তোলেন তারা। ১৪তম ওভারের তৃতীয় বলে মোস্তাফিজ ফেরান বারেসিকে। ৪১ বলে ৪১ রান করে টপ এজ হয়ে ধরা দেন সাকিব আল হাসানের হাতে। পরের ওভারেই সাকিব ফেরান অ্যাকেরম্যানকে। ৩৩ বলে ১৫ রান করা অ্যাকেরম্যান মোস্তাফিজের তালুবন্দি হয়ে ফেরেন।
১৬তম ওভারে ফের বলে আসেন মোস্তাফিজুর রহমান। ওভারের দ্বিতীয় বলে এডওয়ার্ডসকে ফেরানোর সুযোগ আসে টাইগারদের সামনে। গালিতে থাকা লিটন দাস ড্রাইভ দিয়েও তালুবন্দি করতে পারেননি বল। একবল পরেই ফের জীবন পান ডাচ অধিনায়ক। মোস্তাফিজের অফস্টাম্পের ডেলিভারিতে খোঁচা লাগিয়ে ক্যাচের সুযোগ দেন উইকেটের পেছনে। তবে বল গ্লাভসবন্দি করতে ব্যর্থ হন উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিম। দুইবার জীবন পেয়ে এডওয়ার্ডস ছুটে চলছেন বড় ইনিংস খেলার পথে।
২৭তম ওভারে ডাচ ব্যাটিং লাইন আপে পঞ্চম আঘাত হানেন তাসকিন। মুশফিকের হাতে ক্যাচ দেন ডে লেডে। আম্পায়ার আউট না দিলে রিভিউ নেন সাকিব। আর তাতেই মিলে সফলতা। ৩২ বলে ১৭ রান করেন ডে লেডে।








