ভোট দিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান বলেছেন, ‘‘গতকাল কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা দমন করেছে; নির্বাচিত হলে মানুষের নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করা হবে।’’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটগ্রহণ সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়। রাজধানীর গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
ভোট দেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, “নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। গতকাল কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা কঠোরভাবে দমন করেছে। দেশের মানুষ ভোটে বের হয়ে আসলে যে কোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচিত হলে সবার আগে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করা হবে। এছাড়া গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এগিয়ে নিয়ে নতুন গণতান্ত্রিক দিনের সূচনা হবে। বিগত এক দশক মানুষ এই দিনের জন্য অপেক্ষা করেছে।”
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের ভোটে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটির বেশি। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখের বেশি সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।
ইসির তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৭ হাজার ৮৯৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭০ হাজার ১১৬ জন। আর নারী ভোটার ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১২৪।
এ আসনে তারেক রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর স ম খালিদুজ্জামান (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির (জাপা) আতিক আহমেদ (লাঙ্গল), জাতীয় পার্টির (জেপি) তপু রায়হান (বাইসাইকেল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ উল্যাহ (হাতপাখা), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির কামরুল হাসান নাসিম (কাঁঠাল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো.আনিসুজ্জামান খোকন (ময়ূর)।








