উগান্ডার ব্যাটারদের নিউজিল্যান্ডের পেসাররা রীতিমতো চাপেই রেখেছিলেন। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ৪০ রানে অলআউট হয় আফ্রিকার দেশটি, ৯ উইকেটে ম্যাচটি হেরে যায়। এত অল্পতেই প্রতিপক্ষকে গুঁটিয়ে দিতে মূল ভূমিকা রাখা টিম সাউদি গড়েছেন রেকর্ড।
ত্রিনিদাদ এবং টোবাগোর ব্রায়ান লারা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হওয়া ম্যাচে ৪ ওভারে একটি মেডেনসহ কেবল ৪ রান দেন সাউদি। তুলে নেন ৩ উইকেট। ইকোনমি রেট মাত্র এক। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে কোনো বোলারের চার ওভারের স্পেলে এটিই সেরা ইকোনমির রেকর্ড।
চলতি আসরেই সেরা ইকোনমির রেকর্ড গড়েছিলেন সাউথ আফ্রিকান পেসার এনরিখ নর্টজে। নিউ ইয়র্কে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে ১.৭৫ ইকোনমিতে পেয়েছিলেন চার উইকেট।
চার ওভারের স্পেল বাদ দিলে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুবার দেখা গেছে শূন্য ইকোনমির বোলিং ফিগার। বাংলাদেশের মাটিতে হওয়া ২০১৪ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দুই ওভারে রান খরচ না করে এক উইকেট নিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার নুয়ান কুলাসেকারা। ২০০৯ সালের বিশ্ব আসরে ইংল্যান্ডের সঙ্গে এক ওভারের বোলিংয়ে রান না দিয়ে এক উইকেট নেন প্রোটিয়া পেসার অ্যালবি মরকেল।







