বৃষ্টির কারণে ঘণ্টাখানেক পর শুরু হয়েছিল ম্যাচ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা স্কটল্যান্ড ৬.২ ওভারে তোলে ৫১ রান। বেরসিক বৃষ্টি আবারো হানা দিলে প্রায় দুই ঘণ্টা পর ১০ ওভারে নেমে আসে ম্যাচ। কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯০ রানের সংগ্রহ গড়ে স্কটল্যান্ড। বৃষ্টি আইনে ১০ ওভারে ইংল্যান্ডকে লক্ষ্য দেয়া হয় ১০৯ রান। ইনিংস বিরতিতে আবারও বৃষ্টি নামলে বল আর মাঠে গড়ায়নি। তাতে স্কটিশ অধিনায়ক রিচি বেরিংটন দলের সবার হতাশার কথা প্রকাশ করেন।
ব্রিজটাউনে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের বি-গ্রুপের ম্যাচে ইংলিশদের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগির পর বেরিংটন বলেন, ‘আমি মনে করি অবশ্যই আমরা নিজেদের জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছিলাম। আবহাওয়া কীভাবে পিচকে প্রভাবিত করবে, তা দেখাটা আকর্ষণীয় ছিল। কারণ কিছুটা অসম বাউন্স হচ্ছিল, যেমনটা আমরা দিনের বেলায় আশা করেছিলাম। আমরা যদি ভালো বোলিং এবং ফিল্ডিং করতাম, তাহলে অবশ্যই জয়ের সুযোগ থাকতো।
‘খেলতে না পেরে দলের সবাই হতাশ বলেই মনে করি। কিছু ইতিবাচক দিক অন্তত নিতে হবে। ছেলেরা মাঠের ভেতর সত্যিই ভালো খেলেছে। এখন সামনের দিকে তাকাচ্ছি, খেলোয়াড়দের হাতে কিছু সময় আছে। তবে অবশ্যই আমরা হতাশ কারণ সম্পূর্ণ ম্যাচটা খেলতে পারিনি।’
ইংল্যান্ড কোচ ম্যাথু মট অবশ্য জোর দিয়ে দাবি করেন, বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের জয়ের সম্ভাবনা ছিল। কারণ তার দলের পাওয়ার হিট করতে পারা ব্যাটারদের বিপক্ষে ভেজা মাঠে অতিরিক্ত আর্দ্রতায় বোলিং করতে গেলে বল স্কিড হয়ে যেতো।
‘আমি মনে করি সকল সুবিধাই আমাদের পক্ষে ছিল। বল ভেজা হতে যাচ্ছিল, হাতে ছিল ১০ উইকেট ও মাত্র ১০ ওভার। মাঠে ফিরতে পারলে ভেবেছিলাম স্কটল্যান্ডের শুরুটা তাদের জন্য কঠিন হবে। ভেবেছিলাম জেতাটা আমাদের লাগালের মধ্যেই ছিল। আমরা যেভাবে খেলতে চাই, ২০ ওভারের খেলায় সেই চিহ্নটি দেখতে চাই। তাই আমরা খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম।’
‘যারা প্রচুর টি-টেন ক্রিকেট দেখেছেন, তারা বুঝবেন। এটা অবশ্যই একটি তাড়া করার মতো স্কোর ছিল। আমরা সম্ভবত নিজেদের অনুকূলে সবকিছু পেতাম। সেই অবস্থা থেকে ম্যাচে ফিরে না আসাটা হতাশাজনক ছিল।’
স্কটল্যান্ডের মারমুখী ব্যাটিংয়ে যে দৃষ্টিভঙ্গি দেখিয়েছে, সেটির প্রশংসাই করলেন মট। যদিও ইংল্যান্ড এবারের আসরে নিজেদের প্রথম খেলায় কিছুটা স্নায়ুর চাপে ভুগছিল বলেও মনে করেন।
‘আমরা কয়েকবার মাঠে কিছুটা পিছিয়ে ছিলাম বলেই ভাবছিলাম। সম্ভবত টুর্নামেন্টের শুরুতে কিছুটা স্নায়ুর চাপে এমনটা হয়েছে। অবশ্যই এমন কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে আমরা উন্নতি করতে চাই।’







