হারলে নিশ্চিত হয়ে যাবে সেমির আগেই পাকিস্তানের বিদায়। টিকে থাকার এমন সমীকরণের ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন মোহাম্মদ হারিস, ইফতেখার আহমেদ ও শাদাব খান। শেষ ৫ ওভারের ঝড়ে সাউথ আফ্রিকার সামনে ১৮৬ রানের বড় লক্ষ্যও ছুঁড়েছে বাবর আজমের দল।
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে এদিনও ব্যর্থ হয়েছেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার। বাজে শুরুর ধাক্কা পরে কাটিয়ে তুলেছে মিডল অর্ডার। প্রোটিয়া বোলারদের শেষ ৫ ওভারে ১৩ গড়ে রান তুলেছেন ব্যাটাররা। ৯ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ওভার শেষে পাকিস্তান থেমেছে দুইশর কাছাকাছি সংগ্রহে।
বৃহস্পতিবার গ্রুপ ‘২’র বাঁচা-মরার ম্যাচটিতে আগে ব্যাটিং নেন বাবর। ওপেনিংয়ে ধারাবাহিক ব্যর্থতা এদিনও অব্যাহত রাখেন বাবর-রিজওয়ান। ইনিংসের উদ্বোধনী ওভারের চতুর্থ বলে রিজওয়ানকে বোল্ড করেন ওয়েইন পারনেল। ৪ ওভারে ৩১ রান দেয়া পেসার একবারই মাততে পেরেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বুকে হাত দিয়ে করা সেই ট্রেডমার্ক উদযাপনে।
দলীয় ৪ রানে রিজওয়ানকে হারানোর পর রান তোলার গতি কমে আসে পাকিস্তানের। মাত্র ৬ রান করে ফেরেন পাকিস্তান অধিনায়ক। পাওয়ার প্লের ৪.৪ ওভারে ১৫ বল খেলে ফেরেন বাবর। শান মাসুদও হয়েছেন ব্যর্থ।
তিনে নেমে ১১ বলে ঝড় তুলেছিলেন মোহাম্মদ হারিস। ২ চার ও ৩ ছক্কায় করেন ২৮ রান। ইনিংসের শেষ ওভারে ফেরার আগে ইফতেখার খেলেন ৩৫ বলে ৫১ রানের ইনিংস, হাঁকান ৩টি চার ও দুটি ছক্কা।
সাতে নামা শাদাব খান দলকে উপহার দেন সুপারসনিক ইনিংস। ২১ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন এ ডানহাতি। তিন চার ও চার ছক্কার ঝড় থামে ২২ বলে ৫২ রানে। শেষ ৫ ওভারে ৪ উইকেট হারালেও পাকিস্তান তুলে নেয় ৬৫ রান।
সাউথ আফ্রিকার চার পেসারের সঙ্গে এদিন দারুণ শুরু এনেছিলেন স্পিনার তাবরিজ শামসি। ৪ ওভারে ৩৬ রানে নেওয়াজকে ফিরিয়েছেন শামসি। দশের উপর গড়ে রান দেয়া নর্টজে শিকার করেছেন ৪টি উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন পারনেল ও এনগিডি। দলের সবচেয়ে খরুচে রাবাদা ৪ ওভারে দিয়েছেন ৪৪ রান, ফিরিয়েছেন ফিফটি করা ইফতেখারকে।








