জিতলেই ফাইনাল— শুরুতেই জ্বলে উঠলেন শাহিন আফ্রিদি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তার বাকি পাঁচ সতীর্থ বোলারও ছিলেন দুর্দান্ত। ফাইনালের টিকিট নিশ্চিতের ম্যাচে কিউইদের থেকে ১৫৩ রানের চ্যালেঞ্জ পেয়েছে বাবর আজমের দল।
সিডনিতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা কিউইরা শাহিন-নওয়াজের দিনে ৪ উইকেট হারিয়ে থামে ১৫২ রানে। দলের একমাত্র ফিফটি ও সর্বোচ্চ রান এনেছেন ড্যারিল মিচেল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৬ রান অধিনায়ক উইলিয়ামসনের।
বুধবার ইনিংসের শুরুর ওভারের তৃতীয় বলে ফিন অ্যালেনকে ফিরিয়ে দেন শাহিন। ৩ বলে ৪ করে ফেরার আগের বলেই ফিরতে পারতেন যিনি। এলবির আবেদন তার বিপক্ষে আসলেও রিভিউ নিয়ে সেই যাত্রায় বেঁচে গিয়েছিলেন ফিন।
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৩৪ রান আনেন কনওয়ে-উইলিয়ামসন। মাঝে নওয়াজ ভুল না করলে পাওয়ার প্লেতেই ফিরতে হতো কিউই অধিনায়ককে। রান আউটের দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করেন বোলিং প্রান্তে থাকা নওয়াজ।
পাওয়ার প্লেতে ৩৮ রান তুলতে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে নিউজিল্যান্ড। পঞ্চাশের আগেই ফেরেন গ্লেন ফিলিপস। ধস নামার দ্বারপ্রান্তে থাকা দলকে পথ দেখান অধিনায়ক। মিচেলকে নিয়ে গড়েন ৬৬ রানের জুটি। ১৬.২ ওভারে আফ্রিদির বলে যখন উইলিয়ামসন ফেরেন, সংগ্রহ ১১৭ রান।
অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ৪২ বলে ৪৬ রান, ইনিংস সাজান একটি করে চার ছক্কায়। শেষ ৫ ওভারে ৪৬ রান তুলে দলকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যে পৌঁছে দেন মিচেল। শেষ পর্যন্ত ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোরার অপরাজিত থাকেন ৩৫ বলে ৫৩ রানে। দেড়শ ছাড়ানো স্ট্রাইক রেটের ইনিংসে হাঁকান ৩টি চার ও একটি ছক্কার মার। ১২ বলে ১৬ রান যোগ করেন জিমি নিশাম।
পাকিস্তানের দুর্দান্ত দিনে ২৪ রান খরচায় ২টি উইকেট নিয়েছেন শাহিন। ২ ওভারে ১২ রান দেয়া নওয়াজের শিকার ফিলিপস। কনওয়েকে দুর্দান্ত এক থ্রোয়ারে রান আউট করে শাদাব খান। বল হাতে তিনি ছিলেন খরুচে, ৪ ওভারে ৩৩ রান দিলেও পাননি কোনো উইকেট।







