ব্যাটিং ব্যর্থতার ম্যাচে বোলিংয়ে দাপট দেখালেও হার ঠেকাতে পারেনি রশিদ খান-মোহাম্মদ নবীদের আফগানিস্তান। ৫ উইকেট ও ১১ বল হাতে রেখে ১১২ রানের বাধা টপকে গেছে ইংল্যান্ড। কষ্টার্জিত জয় দিয়ে আসর শুরু করেছে জশ বাটলারের দল।
পার্থ স্টেডিয়ামে ইংলিশ চার পেসার শুরুতে গুঁড়িয়ে দেয় আফগানদের ব্যাটিং লাইন আপ। নবী-ঘানিদের ১১২ রানে আটকানোর দিনে ৫ উইকেট শিকার করে দলের হয়ে ইতিহাস গড়েছেন স্যাম কারেন। জবাবে ১৮.১ ওভারে ১১৩ রানের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলে ইংল্যান্ড।
শনিবার ছোট রানের লক্ষ্যে নেমেও ধুঁকেছে ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। লিয়াম লিভিংস্টোন বাদে শতরানের উপরে স্ট্রাইকে ব্যাট চালাতে পেরেছেন মাত্র দুজন, ৬ বলে ৭ করা হ্যারি ব্রুক ও ১৮ বলে ১৮ করা বাটলার বাদে সবাই ছিল খোলশে আবৃত। ৪ ওভারে ১৭ রান খরচায় ব্রুককে ফিরিয়েছেন রশিদ।
রশিদ বাদেও নবী, ফজলহক ফারুকীকে খেলতে খাবি খেয়েছিল ইংলিশরা। হেলসের ১৯, মালানের ১৮, স্টোকসের ২ ও মঈন আলীর অপরাজিত ৮ রানে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে ইংল্যান্ড। দলের সর্বোচ্চ ২১ বলে ৩ চারে ২৯ রান করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন লিভিংস্টোন।
এরআগে, আফগানদের ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে নিজেদের অগ্নিমূর্তি দেখায় ইংলিশ বোলাররা। আফগানদের ওপেনিং জুটি থামে তৃতীয় ওভারে। ধীরগতিতে শুরু করা রহমানুল্লাহ গুবরাজ ফেরেন ব্যক্তিগত ১০ রানে। অন্য ওপেনার হয়রতউল্লাহ জাজাইয়ে অবস্থা আরও হতশ্রী। নামের সুবিচার করতে পারেননি এই মারকাটারি ব্যাটার, স্টোকসের বলে ফেরার আগে করেন ১৭ বলে মাত্র ৭ রান।
দুই ওপেনার ফিরলে দলের হাল ধরেন ওসমান ঘানি ও ইব্রাহিম জাদরান। ঘানি শেষ পর্যন্ত দলকে টেনে নিতে চাইলেও ব্যর্থ হয় অপরপাশ। ৩২ বলে ৩২ রান করে মঈন আলীকে কারেনের বলে জাদরান যখন ক্যাচ দেন তখন স্কোরবোর্ডে ১৪ ওভার শেষ ৪ উইকেটে ৮২ রান। এরপরই শুরু আফগানদের আসা-যাওয়ার প্রতিযোগিতা।
টপ ও মিডলে ব্যর্থ হন অধিনায়ক নবী, আজমতউল্লাহ ওমরজাই। রশিদ খানকে রানের খাতাই খুলতে দেননি কারেন। উড-স্টোকসের গতির কাছে বারবার পরাস্ত হয়ে নবীরা যখন ধুঁকছিল, অপরপ্রান্তে কিছুটা আশা দেখাচ্ছিল উসমান ঘানি। ৮ উইকেট হাতে রেখে দলীয় পঞ্চাশ পেরোনো আফগানিস্তান শতরান তুলতে হারায় শুরুর ৫ ব্যাটারকে। সতীর্থদের ব্যর্থতার দিনে ৩০ বলে ৩০ রান করে শতরান পার করে দেওয়া ঘানি ফিরলে থেমে যায় আফগানদের ইনিংস।







