ভুল রিভিউ, নো বলের বন্যা, ফ্রি-হিটের সময় সোহানের অযথা নড়াচড়ায় ৫ রান জরিমানা, সর্বোপরি টাইগার বোলারদের দলবেঁধে মার খাওয়ার দিনে সাউথ আফ্রিকার রানচাপায় পড়েছে বাংলাদেশ। কুইন্টন ডি কক ও রাইলি রুশোর রেকর্ড জুটিতে টসে জিতে ব্যাট করা প্রোটিয়ারা ৫ উইকেটে তুলেছে ২০৫ রান। তাতে বড় লক্ষ্যই সাকিবদের সামনে।
ঝড়ো ব্যাটিংয়ে টানা দুই ইনিংসে শতকের দেখা পাওয়া রুশো ৫৬ বলে ৭ চার ও ৮ ছক্কায় ১৯৪.৬৪ স্ট্রাইক রেটে ১০৯ রান করে ফেরেন। ডি কক ৩৮ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ১৬৫.৭৮ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ৬৩ রান।
দুই ব্যাটার ১৬৩ রান যোগ করে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে সাউথ আফ্রিকার সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড গড়েছেন। জ্যাক ক্যালিস ও গ্রায়েম স্মিথের গড়া ৯৭ রানের জুটি ছিল আগের সেরা, ২০১০ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে।
একইসঙ্গে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এটি দ্বিতীয় উইকেটে চতুর্থ সর্বাধিক রানের জুটি। ২০১০ আসরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাহেলা জয়াবর্ধনে ও কুমার সাঙ্গাকারা করেছিলেন আগের রেকর্ড ১৬৬ রানের জুটি।
সিডনিতে দুই রানে প্রথম উইকেট হারিয়ে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল সাউথ আফ্রিকা। পরে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ডি কক ও রুশো। বাংলাদেশের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ বাড়তে থাকে। পেসার-স্পিনাররা কেউই তাদের সামনে দাঁড়াতে পারেনি।
প্রথম ওভারে ২ রান করা টেম্বা বাভুমাকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করলেও তাসকিন দ্বিতীয় ওভারে ছিলেন খরুচে। সাউথ আফ্রিকার স্কোর যখন ৫.৩ ওভারে ১ উইকেটে ৬০ রান, নামে বৃষ্টি। ১৭ মিনিট খেলা বন্ধ ছিল।
১১তম ওভারে সাকিব বেধড়ক পিটুনি খেয়ে দেন ২১ রান। ওভারের শেষ ডেলিভারিটি হাই ফুলটস দেয়ায় আম্পায়ার নো ডাকেন। ফ্রি-হিটে রুশো ছক্কা মারেন। আইন অনুযায়ী ফ্রি-হিটের সময় ফিল্ডিং পজিশন থেকে কেউ নড়তে পারবে না। উইকেটের পেছনে সোহান অযথা নড়াচড়া করায় আম্পায়ার বাংলাদেশকে ৫ রান জরিমানা করেন। সাউথ আফ্রিকার পায় অতিরিক্ত ৫ রান।
আফিফ হোসেনের বলে সৌম্য সরকারের হাতে ডি কক ধরা পড়লে দ্বিতীয় উইকেট জুটি ভাঙে। পরের ওভারে সেঞ্চুরিয়ান রুশোর উইকেট নেন সাকিব। পরে ত্রিস্তান স্টাবসের উইকেটও পান সাকিব।
৩ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ২ উইকেট সাকিবের। তাসকিন ১ উইকেট পেলেও ৩ ওভারে রান দেন ৪৬। আফিফ এক ওভারে ১১ রান দিয়ে এক উইকেট তোলেন। বাকিদের খরুচে দিনে ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে উইকেট পাননি।








