চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

‘কীভাবে যে বাইচ্চা আছি তা একমাত্র আল্লাহই জানে’

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ ১৯, জুন ২০২২
বাংলাদেশ
A A

সিলেট-সুনামগঞ্জে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। গ্রাম কী শহর-সবই পানিতে একাকার। সিলেট রেলওয়ে স্টেশন, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায়ও পানি ঢুকে পড়েছে। খাবার, আশ্রয় আর জ্বালানি সংকটে মানবেতর পরিস্থিতিতে আছে লাখো মানুষ।

এমনকি কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রেও পানি প্রবেশ করেছে। নানা জায়গায় সড়ক-সেতু ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ওসমানী বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ। রেললাইন ডুবে যাওয়ায় কয়েকটি স্থানে রেল যোগাযোগও বন্ধ হয়ে গেছে।

এদিকে ক্যাম্পাসে পানি উঠে যাওয়ায় আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। শুক্রবার সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘দুই যুগ পর এবার ক্যাম্পাস বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। ক্যাম্পাসে বিদ্যুৎও নেই। তাই ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’

সোমবারের পর থেকে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি
আগামী সোমবারের পর থেকে সিলেট অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আশা করছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। তার আগ পর্যন্ত অবনতির আশঙ্কা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভুইয়া সিলেট-সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেছেন, আগামী সোমবারের আগে সিলেট অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার আশা নেই। আর উত্তরাঞ্চলে আরও তিন থেকে চার দিন পানি বাড়তে থাকবে। তবে সেখানে পরিস্থিতি নাজুক হবে না।

মুড়ি ছাড়া সন্তানের মুখে কিছু দিতে পারি নাই
নগরের চালিবন্দর এলাকার রামকৃষ্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন ছড়ারপাড়ের একটি কলোনির বাসিন্দা তেরাব বিবি। তিনি বলেন, ‘এখানে কোনো খাবার নেই। রান্নার ব্যবস্থা নেই। এ পর্যন্ত কেউ কোনো ত্রাণও দেয়নি। কেবল মুড়ি ছাড়া সকাল থেকে সন্তানদের কোনো খাবার দিতে পারিনি। এ অবস্থায় আমরা এখানে থাকব কী করে?’

Reneta

তিন দিন ধরে পরিবার নিয়ে পানিবন্দি গোয়াইনঘাটের ফতেহপুর এলাকার সামুসুদ্দিন আহমদ। বাড়ির টিউবওয়েলও পানিতে ডুবে গেছে। তবু আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে পারছেন না তিনি।

সুবল বলেন, ‘চারদিকে পানি, পরিবার নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য কোনো নৌকাও পাচ্ছি না। বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল ফোনেও চার্জ নেই। ফলে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না। এ অবস্থায় ঘরে পানির ওপরই থাকতে হচ্ছে।’

একই সমস্যার কথা জানালেন একই উপজেলার হরিপুরের বাসিন্দা চেরাগ মিয়া। বলেন, ‘পানিতে চুলা তলিয়ে গেছে। তাই রান্নাবান্না বন্ধ। ঘরে শুকনা খাবারও নেই। নলকূপ তলিয়ে যাওয়ায় খাওয়ার পানিও পাচ্ছি না। আবার আশপাশে বুক থেকে গলাসমান পানি। ফলে ঘরের বাইরেও যেতে পারছি না। এর মধ্যে বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই। কীভাবে যে বাইচ্চা আছি তা একমাত্র আল্লাহই জানে।

হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে
পানির নিচে তলিয়ে গেছে জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের কাঞ্জর, গর্দনা, ফরফরা, শুকইনপুর, সেনগ্রাম, চাল্লাইন, তেলিজুরি, শ্রীখেল, মহাইল, মুটগুঞ্জা, সেনগ্রাম, রনিফৌদ, সাতারখাই ফতেপুর ইউনিয়নের হেমু ভাটপাড়া, মাঝপাড়া, দত্তপাড়া, বালিপাড়া, নয়াগ্রাম, নয়াগ্রাম দক্ষিন, ভেলোপাড়া,পাখিটিকি, মাঝরটুল, নমশুদ্র পাড়া, পনাটুক নিজপাট ইউনিয়নের মেঘলী, বন্দরহাটি, লামাপাড়া, ময়নাহাটি, জাঙ্গালহাটি, মজুমদার পাড়া, হর্নি, বাইরাখেল, তিলকৈপাড়া, বড়খেল, ফুলবাড়ী, ডিবিরহাওর, ঘিলাতৈল, হেলিরাই। জৈন্তাপুর ইউনিয়নের মুক্তাপুর, বিরাইমারা, বিরাইমারা হাওর, লামনীগ্রাম, কাটাখাল, খারুবিল, চাতলারপাড়, ডুলটিরপাড়, ১ নম্বর লক্ষীপুর, ২ নম্বর লক্ষীপুর, আমবাড়ী, ঝিঙ্গাবাড়ী, নলজুরী হাওর। ৩ নম্বর চারিকাটা ইউনিয়নের বালিদাঁড়া, লালাখাল, রামপ্রসাদ, থুবাং, বাউরভাগ উত্তর, বাউরভাগ দক্ষিণ, পুঞ্জী চিকনাগুল ইউনিয়নের কান্দী সহ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের দুই তৃতীয়াংশ এলাকা প্লাবিত।

হেমু পাখিটেকি গ্রামের রাজমিস্ত্রী ফারুক আহমদ বলেন, ‘ঘরে অনেক আসবাপত্র ছিল, নিয়ে আসতে পারি নি। ধান, খাট-ফালং, লেফ-তুষক ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। কিছু আসবাপত্র ভেসে গেছে আনতে পারি নি। কোন রকম ছেলে সন্তান নিয়ে ফিরে এসেছি।

ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের উমরপুর, মোস্তফাপুর,দক্ষিণ গ্রাম, প্রজাতপুর, লালাপুর, কইখাই, লতিবপুর, তপথিবাগ, মনসুরপুর, আগনা, নোয়াগাঁও, বাউর কাপন, রমজানপুর, ইনাতগঞ্জ বাজারসহ ৩০/৩৫ গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। দীঘলবাক ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামেই পানি প্রবেশ করেছে। তাছাড়া ইনাতগঞ্জ-সৈয়দপুর সড়কের মোস্তফাপুর থেকে পাঠানহাটি পর্যন্ত রাস্তায় বুক পানি।

ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেয়া উমরপুর গ্রামের ফয়ছল মিয়া জানান, আমার ঘরে বুক পানি। শুধু আমার একা না। এমন দৃশ্য সবার ঘরে। আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি।

দিনভর ভারী বর্ষণে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে লোকালয়ে। বসতঘরে পানি ঢুকে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন পানিবন্দী মানুষেরা।

কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিঠাইটিকর, ভেলকোনা, সুড়িকান্দি, গয়াসী, সাইলকান্দি, সুলতানপুর, ছত্তিশ, বাঘমারা, বারোহাল, জেটিঘাট গ্রামের হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।

ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারের দুই শতাধিক দোকানঘরে ঢুকে পড়েছে পানি। এতে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। পূর্ব বাজার, মধ্য বাজার, পোস্ট অফিস সড়ক, থানার রোড পয়েন্টের সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

সবগুলো উপজেলাই বন্যাকবলিত
সিলেটের সবগুলো উপজেলাই বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, ‘অনেক এলাকায় বাহনের অভাবে পানিবন্দি লোকজন আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে পারছে না। তাদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী মাঠে নেমেছে। তারা কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়ানঘাট উপজেলায় বন্যাদুর্গতদের উদ্ধারে কাজ করেছে।

‘আমাদের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই এখন ফাঁকা নেই। বেশির ভাগই তলিয়ে গেছে। বাকিগুলো আশ্রয়কেন্দ্র করা হয়েছে। ফলে নগরের বাইরের প্রায় সবগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।’

সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘পানি যেভাবে বাড়ছে, তাতে কুমারগাঁও সাবস্টেশন তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। এটি তলিয়ে গেছে পুরো সিলেট বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়বে। এতে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে সিলেট।

‘তাই আমরা এই কেন্দ্রটি চালু রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছি। যাতে অন্তত নগরের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে। সিটি করপোরেশন, সেনাবাহিনী ও বিদ্যুৎ বিভাগ একসঙ্গে মিলে এই কেন্দ্র সচল রাখার চেষ্টা করছি। ’

সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশন, সিলেট সেনানিবাসের প্রধান মেজর জেনারেল হামিদুল হক বলেন, আটটি উপজেলায় আমরা সেনা মোতায়েন করেছি। সেনা সদস্যরা পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নেওয়া, বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র নির্বাচন এবং উদ্ধারকৃতদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা, চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া, খাদ্য গোডাউন, পাওয়ার স্টেশন এবং অন্যান্য স্থাপনা রক্ষায় কাজ করছে। এছাড়া সীমিত পরিসরে খাদ্য ও সুপেয় পানি সরবরাহে কাজ করছে।

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেছেন, সিলেট ও সুনামগঞ্জের ১২ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। এসব এলাকায় আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।

ঢাকা থেকে চিকিৎসকরা আসছেন
সিলেট বিভাগে বন্যায় পানিবন্দি আহত ও অসুস্থদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ঢাকা থেকে একদল চিকিৎসক সিলেট আসছেন। বন্যা পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে শুক্রবার বিকেলে এক সভায় এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর।

তিনি বলেন, বিশুদ্ধ পানি, স্যালাইন ও ওষুধ নিয়ে শনিবার ঢাকা থেকে একদল চিকিৎসক যাবেন। এ ছাড়া স্থানীয়ভাবেও অধিদপ্তরের আরও একটি দল কাজ করবে। দুই দলের সমন্বয়ে চিকিৎসাসেবা দেয়া হবে।

অধ্যাপক আহমেদুল কবীর বলেন, বন্যার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ডায়রিয়াসহ নানাবিধি রোগের প্রদুর্ভাব দেখা দেবে। প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে আমাদের কাজ বেড়ে যাবে। তার পরও অসুস্থ ও আহতদের চিকিৎসার্থে মূলত এখানে চিকিৎসকরা যাবেন।

নিত্যপন্যের সংকট! দাম ইচ্ছেমত বাড়াচ্ছেন বিক্রেতারা
টানা বৃষ্টি ও ভা’রতীয় পাহাড়ি ঢলে দোকানপাট তলিয়ে যাওয়ায় সিলেটে নিত্যপণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। বেশি দামেও মিলছে না চাল-ডালসহ নিত্যপণ্য। এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় দেখা দিয়েছে মোমবাতি ও দেশলাই সংকট। ব’ন্যার পানিতে বহু দোকান তলিয়ে যাওয়ায় এ সংকট দেখা দিয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বন্যায় বেশিরভাগ দোকান খুলছেন না দোকানিরা। এছাড়াও অসংখ্য দোকান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়েছে। ৩৮ টাকা হালির ডিমের দাম বেড়ে ৪৫ টাকা হয়েছে। ২০ টাকার আলু বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। দোকানে দোকানে ঘুরেও এসব পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

বন্যার্তদের উদ্ধার তৎপরতা 
বন্যাকবলিত এলাকার মানুষকে উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভুক্তভোগী অনেকেই বলছেন, তারা ত্রাণের আগে চান নিরাপদ আশ্রয়।

কিন্তু দুর্গত এলাকা থেকে মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য পর্যাপ্ত নৌকা-ভেলা নেই। সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যাদুর্গত এলাকায় পানিবন্দি লোকজনকে উদ্ধারে শুক্রবার বিকাল থেকে সেনাবাহিনীর ১০ প্লাটুন, ৬টি মেডিকেল টিম কাজ শুরু করে। শনিবার সকাল থেকে নৌবাহিনীর ৩৫ সদস্য দুটি টিমে ভাগ হয়ে কাজ শুরু করেছে।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, নৌবাহিনীর ৩৫ সদস্যের একটি দল শুক্রবার রাতে সিলেট এসে পৌঁছায়। শনিবার সকাল থেকে ৩৫ সদস্যের দল কোস্টগার্ডের একটি ক্রুজ ও বিমানবাহিনীর চারটি হেলিকপ্টার দিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে।

সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নে একটি টিম সকাল থেকে কাজ শুরু করে। আরেকটি টিম কোম্পানীগঞ্জে কাজ শুরু করেছে। বিকালে নৌবাহিনীর আরও ৬০ সদস্যের একটি দল সিলেট এসেছে। তারা আরও দুটি ক্রুজ নিয়ে উদ্ধার কাজে যোগ দেন।

সেনাবাহিনীর উদ্ধারকারী টিমের মোবাইল নাম্বার : বানভাসি মানুষদের উদ্ধারে নিয়োজিত সেনাবাহিনীর টিমের মোবাইল নাম্বার সরবরাহ করেছে র‌্যাব -৯। সিলেট ও সুনামগঞ্জের দুর্গত উপজেলাগুলোর মানুষ এ নাম্বারগুলোতে যোগাযোগ করতে পারবেন।

উদ্ধার কাজের দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন-মেজর আশিক, দিরাই-জামালগঞ্জ, সুনামগঞ্জ। মোবাইল : ০১৭৬৯-০০৮৭৩৬। মেজর আশাবুর, ছাতক-দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ। মোবাইল : ০১৭৬৯-১৭২৪৫৪। মেজর মোক্তাদির, কুমারগাঁও পাওয়ার স্টেশন, সিলেট। মোবাইল : ০১৭৬৯-১১২৫৫৬। ক্যাপ্টেন মারুফ, কোম্পানীগঞ্জ, সিলেট। মোবাইল : ০১৭৬৯-০০৯৩৮২। ক্যাপ্টেন আশরাফ, গোয়াইনঘাট, সিলেট। মোবাইল : ০১৭৬৯-১৭২৫৬৪। ক্যাপ্টেন ফয়সাল, সিলেট সদর উপজেলা। মোবাইল : ০১৬২৬-২৯১৫৭৭।

সিলেট-সুনামগঞ্জে ৬০০ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে
সিলেট ও সুনামগঞ্জে ৬০০ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।
তিনি বলেন, বন্যার্তদের জন্য এখন পর্যন্ত ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।এছাড়া ২০০ টন চাল ও আট হাজার শুকনো খাবারের প্যাকেট দেওয়া হয়েছে।

সিলেট দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ শাখা জানিয়েছে, ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৭ হাজার ৯০০ বস্তা শুকনো খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় আরও ৮ হাজার প্যাকেট খাবার ও ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: সিলেট বন্যা পরিস্থিতি
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ভেনেজুয়েলার ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ২ হাজার ৬৪৫

জুলাই ৪, ২০২৬

শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আর্জেন্টিনার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ কেপ ভার্দে

জুলাই ৪, ২০২৬

জলাশয় রক্ষা ও দূষণ কমাতে গুলশান লেকে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

জুলাই ৪, ২০২৬

রাজধানীতে বৃষ্টি-বজ্রপাতের সম্ভাবনা

জুলাই ৪, ২০২৬

মেসির আর্জেন্টিনার শেষ ষোলোর প্রতিপক্ষ সালাহর মিশর

জুলাই ৪, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT