বাংলাদেশের বিভিন্ন ইস্যুতে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের প্রাণকেন্দ্র মার্টিন প্লেস বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।
সোমবার (৮ জুলাই) চব্বিশটি সংগঠনের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন অস্ট্রেলিয়ান ফোরাম ফর এথনিক অ্যান্ড রিলিজিয়াস মাইনোরিটিস ইন বাংলাদেশ (এএফইআরএমবি) এই সমাবেশের আয়োজন করে।
ব্যানার, প্ল্যাকার্ড এবং বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নিয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটির বহু নারীপুরুষ সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত এই প্রতিবাদে অংশ নেন।
প্রতিবাদের শুরুতে এএফইআরএমবি-র অন্যতম পরিচালক অমল দত্ত এই প্রতিবাদের উদ্দেশ্য, প্রেক্ষাপট ও সাম্প্রতিক নির্মম ঘটনাবলীর বিবরণ পড়ে শোনান।
এএফইআরএমবি-র অস্ট্রেলিয়াব্যাপী ২৪টি সংগঠনের উপস্থিত প্রতিনিধিরা জোরালো ভাষায় ‘সংখ্যালঘু নির্যাতনে’ নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন। অন্যান্য প্রদেশ থেকেও প্রতিনিধিরা টেলিফোনে যোগদান করেন।

বক্তারা বলেন, চিন্ময় প্রভুকে জেলে আটক রাখা, খিলখেতে আরও বহু স্থাপনা রেখে শুধু দুর্গা মন্দির প্রতিমাসহ গুঁড়িয়ে দেয়া, লালমনিরহাটে নরসুন্দর পিতাপুত্রকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মিথ্যা অভিযোগে নির্যাতন ও জেলে বন্দি করা, মুরাদনগরে হিন্দু নারীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ভাইরাল করা, এসব কাদের ইন্ধনে ও পরোক্ষ সম্মতিতে ঘটছে, সেটা সংখ্যালঘুদের কাছে পরিষ্কার।
বিশ্বায়নের যুগে বাংলাদেশের এসব ঘটনা অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য দেশেও মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। বাংলাদেশের সাথে অস্ট্রেলিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বক্তারা অস্ট্রেলিয়ান সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য জোরালো আহ্বান জানান।
র্যালি শেষে, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে একটি ন্যায়বিচারভিত্তিক সহিষ্ণু সমাজ গড়ার লক্ষ্যে ১১ দফা দাবি উত্থাপন করেন এএফইআরএমবি-র নির্বাহী সভাপতি সুরজিৎ রায়।







