বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি, তা সরকারিভাবে নির্ধারণে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞ দল। বান্দরবানের রুমা ও থানচি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ৪ এপ্রিল থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত এই জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)-এর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
জানা গেছে, আধুনিক জিওডেটিক পদ্ধতি এবং উন্নত গ্লোবাল ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম (জিএনএসএস) প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের গড় সমুদ্রতল থেকে উচ্চতা (এমএসএল) নির্ধারণ করা হবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে পরিচালিত এই জরিপে অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ এবং উচ্চতা নির্ধারণে সেন্টিমিটার স্তরের নির্ভুলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
এই জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন সার্ভেয়ার জেনারেল অব বাংলাদেশ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুর-এ-আলম মোহাম্মদ যোবায়ের সারোয়ার। তার নেতৃত্বে এবং উপ-পরিচালক (জরিপ) দেবাশীষ সরকারের তত্ত্বাবধানে জরিপ দলটি থানচি ও রুমা এলাকায় অবস্থান করে বিভিন্ন পাহাড়ের উচ্চতা পরিমাপ করবে। জরিপে সদ্য প্রস্তুতকৃত জিওয়েড মডেল ব্যবহার করে রিসিভার থেকে প্রাপ্ত এলিপসিড হাইট-এর ভিত্তিতে সঠিক এমএসএল উচ্চতা নির্ণয় করা হবে। এ ছাড়া ডুয়াল ফ্রিকোয়েন্সি জিএনএসএস রিসিভার, আরটিকে রিসিভার, টোটাল স্টেশন, লেভেল মেশিন এবং জিএনএসএস সিওআরএসসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে।
জরিপ দলটি বান্দরবানের থানচি, রেমাক্রি, রুমা ও তিন্দুসহ দুর্গম এলাকায় গিয়ে পাহাড়গুলোর চূড়ার উচ্চতা নির্ধারণ করবে। এই জরিপের মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ—তাজিংডং, কেওক্রাডং না সাকা হাফং—তা নির্ণয়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কের নিষ্পত্তি হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।







