টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটে অস্ট্রেলিয়াকে মাঝারি লক্ষ্য দিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে আফগানিস্তান। নাভিন-উল-হক ও গুলবাদিন নাইবের দুর্দান্ত বোলিংয়ে দেড়শ লাগোয়া লক্ষ্যের পেছনে ছুটতে নেমে পথ হারায় অস্ট্রেলিয়া। সেমিফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখে ২১ রানে জিতেছে আফগানিস্তান।
সেন্ট ভিনসেন্টে রোববার সকালে টসে জিতে আফগানিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠান অজি অধিনায়ক মিচেল মার্শ। নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় রশিদ খানের দল। জবাবে ১৯.২ ওভারে ১২৭ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
দেড়শ লাগোয়া লক্ষ্যে ব্যাট করতে শুরুতে উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ১৬ রানে দুই ওপেনার ট্র্যাভিস হেড (০) ও ডেভিড ওয়ার্নারের (৩) উইকেট তুলে নেন নাভিন-উল-হক ও মোহাম্মদ নবি। চাপ সামাল দিতে নেমে উল্টো নাভিনের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। ফেরেন ৯ বলে ১২ রান করে।
নিজের দুই ওভারে টানা দুই উইকেট তুলে নেন গুলবাদিন নাইব। ১৭ বলে ১১ রান মার্কাস স্টয়নিসের পর ২ রান করা টিম ডেভিডকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে নাইব। উইকেট ধরে রেখে রানের চাকা সচল করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। কিন্তু ১০৬ রানের মাথায় তিনিও শিকার হন নাইবের। ৬ চার ও ৬ ছক্কায় ৪১ রানে ৫৯ রান করা ম্যাক্সওয়েল ফিরলে চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া।
৫ রানে উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ম্যাথু ওয়েডকে ফেরান লেগ স্পিনার রশিদ খান। নিজের শেষ ওভারে এসে ৩ রানে প্যাট কামিন্সের উইকেট চতুর্থ শিকারে পরিণত করেন নাইব। শেষদিকে অ্যাশটন অ্যাগার ২ রান করে আউট হন, ৯ রানে ফিরে যান জাম্পা। তাতে সব উইকেট হারিয়ে ১২৭ রানে থামে অস্ট্রেলিয়া।
অজিদের বিপক্ষে এদিন ৮ বোলারের হাতে বল তুলে দেন আফগান অধিনায়ক রশিদ খান। নিজেদের কোটা পূরণ করে নাইব ২০ রান দিয়ে শিকার করেন ৪ উইকেট ও নাভিন-উল-হক একই রান খরচায় তোলেন ৩ উইকেট। আজমাতুল্লাহ, নবি ও রশিদ নেন একটি করে উইকেট।
আগে ব্যাটে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিল আফগানিস্তান। কোনো উইকেট না হারিয়ে পাওয়ার প্লেতে আসে ৪০ রান। ১১৮ রানে মার্কাস স্টয়নিসের বলে ক্যাচ দেন গুরবাজ, ওপেনিং জুটি ভাঙে। ৪টি করে চার ও ছক্কার মারে ৪৯ বলে ৬০ রান করে ফেরেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
এরপর বেশি সময় টিকে থাকতে পারেননি জাদরান। ৬টি চারে ৪৮ বলে ৫১ রান করে অ্যাডাম জাম্পার বলে সাজঘরের পথ ধরেন। বাকিদের কেউই আর তেমন কোনো রান তুলতে না পারলে শেষপর্যন্ত দেড়শর কাছে থামে আফগানিস্তান।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্যাট কামিন্স তিনটি ও অ্যাডাম জাম্পা নেন দুইটি উইকেট।








