সিনেমা মুক্তির আগেই থিয়েটারে প্রদর্শনের জন্য ডিসিপি (ডিজিটাল ফাইল ফরম্যাট) পাঠাতে হয়। সেই ডিসিপি নিয়ে জটিলতা বা টেকনিক্যাল ইস্যু দেখা দিলেও নতুন করে আবার ডিসিপি তৈরি করতে হয়; যা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।
গত ঈদে সময়মতো ডিসিপি না পাওয়া এবং টেকনিক্যাল ইস্যুর কারণে বেগ পেতে হয়েছিল সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষকে। এবারও ডিসিপি নিয়ে দুশ্চিন্তায় দেশের সর্বাধুনিক সিনে থিয়েটার সিনেপ্লেক্স।
প্রতিষ্ঠানটির মিডিয়া ম্যানেজার মেজবাহ আহমেদ বলেন, এবারও জেনেছি অনেকগুলো সিনেমা রিলিজ হচ্ছে। আমরা ম্যাক্সিমাম সিনেমাই চালাবো। তবে ঈদের বাকি আর একদিন। এখনও সবগুলো সিনেমার ডিসিপি আমরা বুঝে পাইনি।
বিষয়টি নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তায় আছে সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করে মেজবাহ আহমেদ বলেন, ডিসিপি না পাওয়া শিডিউল করতে পারছি না।
তিনি বলেন,“অগ্রিম টিকিট ছাড়তে পারছি না। তাছাড়া ডিসিপি ফাইনাল পাওয়ার পর সবকিছু চেক করতে সময়ও লাগে। যারা সিনেমা রিলিজ দিচ্ছেন তারা যদি সময়মতো আমাদের ডিসিপি জমা না দেন তাহলে আমাদের অফিশিয়াল অনেককিছু আটকে থাকে। ডিসিপি সমস্যা হলে এই দায়ভার আমরা নেব না। আমরা কখনও চাইনা গত ঈদের মতো অপ্রত্যাশিত ঘটনার রিপিট হোক।”
এবারের ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে রকস্টার, রইদ, মাসুদ রানা, মালিক, দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল, পিনিক, বনলতা সেন, তছনছ, অফিসার নামের সিনেমাগুলো। তবে ঈদে মোট কতোটি সিনেমার মুক্তি চূড়ান্ত, সেটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে দেশে সবমিলিয়ে সিনেমা হলের সংখ্যা প্রায় ১২০টির মতো। এত সীমিত সংখ্যক প্রেক্ষাগৃহে একসাথে এতগুলো সিনেমা মুক্তি পাওয়াকে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা নিজেদের জন্যই বড় ধরনের প্রতিযোগিতা ও ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন।








