এবারের বিশ্বকাপে প্রথম দল হিসেবে নকআউট পর্ব সেরা ৩২-এ জায়গা করে নিলো সহ-আয়োজক মেক্সিকো। গুয়াদালাহারাতে সাউথ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে টানা দুই জয়ে এ-গ্রুপে চ্যাম্পিয়নও স্বাগতিকরা।
ম্যাচের ১৬ মিনিটে সন হিউং-মিন গোলকিপারকে পেরিয়ে গোলমুখে শট নিয়েছিলেন, গোলমুখ থেকে মেক্সিকোর ডিফেন্ডার বল বিপদমুক্ত করেন। পরে অবশ্য অফসাইড ধরেন রেফারি। ২০ মিনিটে মেক্সিকোর হুলিয়ান কুইনোনেস দারুণ এক হেডে গোল পাওয়ার কাছাকাছি থাকলে সাউথ কোরিয়ার কিপার সেটি ঠেকিয়ে দেন।
সহ-আয়োজক মেক্সিকো বিশ্বকাপে গত ১২ ম্যাচে প্রথমার্ধে কখনও গোল হজম করেনি। ২০১০ সালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে রাউন্ড অব সিক্সটিনের ম্যাচে প্রথমার্ধে সবশেষ দুটি গোল হজম করেছিল তারা, ৩-১ গোলে হেরেছিল।
প্রথমার্ধে সাউথ কোরিয়ার আক্রমণের নেতৃত্ব দেন সন। ৪১ মিনিটে সিওল ইয়ং-উ এবং ৪৪ মিনিটে লি কাং ইন ভালো দুটি আক্রমণ করেন। মেক্সিকো ম্যাচে তেমন প্রভাব রাখতে না পারলেও গোল হজম করেনি সেসময়। গোলশূন্য রেখে বিরতিতে যায় দুদল।
বিরতি থেকে ফিরে ৪৯ মিনিটে জেসাস গায়ার্দো এবং রাউল হিমেনেজ কোরিয়ার গোলমুখে আক্রমণ করেন। এ সময় বল উপরে উঠে গেলে সাউথ কোরিয়ার গোলকিপার কিম সেউং-গিউ বল ধরতে গিয়ে সতীর্থের সাথে সংঘর্ষে পড়েন। সুযোগে সেখান থেকে বল জালে জড়ান মেক্সিকো মিডফিল্ডার লুইস রোমো, ১-০ গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
গোল দিয়ে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে মেক্সিকো। ৭৫ মিনিটে রাউল হিমেনেজ আক্রমণ করলেও কোরিয়ার গোলকিপার বল ঠেকিয়ে দেন। পরের মিনিটে এইচ জে ইয়ং দারুণ একটি আক্রমণ করে ফাঁকায় বল পেয়েও গোল করতে পারেননি।
খেলার প্রায় শেষদিকে একসাথে দুটি সেভ করেন মেক্সিকো গোলকিপার রাউল রেঞ্জেল। রাইট উইং দিয়ে দারুণ একটি বল দেন কিম জিন-গিউ, চো গুয়ে-সুং হেড করলে বল ঠেকান মেক্সিকো গোলকিপার। একই বল আবারও পা দিয়ে মারলে আবারও ঠেকান রেঞ্জেল। এ যাত্রায় বেঁচে যায় মেক্সিকো। পরে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
সাউথ কোরিয়ার বিপক্ষে মেক্সিকোর জয়ে গ্রুপ ‘এ’তে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা, আরও একটি ম্যাচ বাকি গ্রুপপর্বে। ৩০ জুন মেক্সিকো সিটিতে রাউন্ড অব ‘৩২’র ম্যাচে গ্রুপ ‘সি’, ‘ই’, ‘এফ’, ‘এইচ’ অথবা ‘আই’র তৃতীয় হওয়া দলের মুখোমুখি হবে মেক্সিকানরা।







