মাঠে নামলেই রানবন্যা বইয়ে দিচ্ছেন সাউথ আফ্রিকার তরুণ ব্যাটার ম্যাথু ব্রিটজকে। ওয়ানডে অভিষেকের পর চার ম্যাচের সবকটিতে হাফ-সেঞ্চুরি পেলেন ২৬ বর্ষী প্রোটিয়া। ওয়ানডে ইতিহাসে প্রথম চার ম্যাচের সবকটিতে ফিফটির রেকর্ড গড়েছেন ব্রিটজকে।
কুইন্সল্যান্ডের ম্যাকাইয়ে শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৭৮ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৮৮ রানের ইনিংস খেলেন ব্রিটজকে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত টসে জিতে আগে ব্যাটে নেমে ৪৯.১ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ২৭৭ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে পোটিয়া দল। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করার অপেক্ষায় অস্ট্রেলিয়া।
চার ফিফটিতে ওয়ানডে ক্যারিয়ার আরও একজন শুরু করেছিলেন, ভারতের নভোজ্যাৎ সিং সিধু। ১৯৮৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ দিয়ে শুরু হয়েছিল তার ওয়ানডে ক্যারিয়ার। সিধু প্রথম ৫ ম্যাচের মধ্যে চারটিতে ফিফটি পেয়েছিলেন। নিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটিংয়ে নামতে হয়নি তাকে। অর্থাৎ, ম্যাচের হিসাবে না হলেও ইনিংসের হিসাবে তারও প্রথম চার ইনিংসে ফিফটি আছে। কিন্তু ব্রিটজকে প্রথম চার ম্যাচেই ব্যাটিংয়ে নেমে ফিফটি পেলেন।
ব্রিটজকের ওয়ানডে অভিষেক গত ফেব্রুয়ারিতে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লাহোরে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে ত্রিদেশীয় সিরিজে কিউইদের বিপক্ষে ১৫০ রান আসে তার ব্যাট থেকে। এই সংস্করণে অভিষেকে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলার রেকর্ড যেটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডেসমন্ড হেইন্সের রেকর্ড কেড়ে নেন তিনি। ১৯৭৮ সালে ওয়ানডে অভিষেকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৪৮ রান করেছিলেন কিংবদন্তি ক্যারিবীয় সাবেক ওপেনার।
দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৮৩ রান করে হেইন্সের আরেকটি রেকর্ড কাড়েন ব্রিটজকে। দুই ম্যাচে ২৩৩ রান আসে তার ব্যাটে, ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারের প্রথম দুই ম্যাচে ২০০ রান করা প্রথম ব্যাটারও তিনি। হেইন্স ক্যারিয়ারে প্রথম দুই ইনিংসে করেছিলেন ১৯৫ রান।
পরের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করেন ৫৭ রান। তাতে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম তিন ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করার রেকর্ড গড়েন। শুক্রবার ৮৮ রানের ইনিংসসহ প্রথম চার ইনিংসেও তার রানই সর্বোচ্চ। এই চার ইনিংসে ব্রিজটকে করেছেন ৩৭৮ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৮০ রান টেম্বা বাভুমার।







