চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি

  • নির্বাচন ২০২৬
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা অভিন্ন: এস এম কামাল

মাহবুব মোর্শেদমাহবুব মোর্শেদ
১:১৭ অপরাহ্ন ২৪, জুন ২০২২
রাজনীতি
A A

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা এক এবং অভিন্ন। একটিকে বাদ দিয়ে আরেকটির কোনো ইতিহাস নেই। বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই আওয়ামী লীগ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন স্বাধীনতার জন্য। যার কারণে বঙ্গবন্ধু ১৯৫৭ সালে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। এই ত্যাগ বাংলাদেশ তো দূরের কথা পৃথিবীর আর কোন দেশে নেই। একজন রাজনীতিবিদ তার পরিবার নিয়ে কোথায় থাকবেন তার কোনো চিন্তা নেই। তিনি বাংলাদেশের মানুষের যে হাজার বছরের স্বপ্ন বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন ভূখণ্ড প্রতিষ্ঠা করা, সেই স্বপ্ন পূরণের জন্যই আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব নেওয়ার পর পাকিস্তানি শাসক আইয়ুব খান আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে এসেছিল, কিন্তু পারেনি। সেদিন পূর্ব বাংলার লোক এক হয়েছিল, তাই তারা সফল হয়নি। বঙ্গবন্ধুর সাহসিকতা, দেশপ্রেম, সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তের কারণে তিনি দেশকে স্বাধীন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। পাকিস্তান সরকার ২বার বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, তিনি কারও কাছে মাথা নত করেননি।

চ্যানেল আই অনলাইনের সাথে একান্ত আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এস এম কামাল বলেন, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক মুক্তির কর্মসূচি দেওয়ায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। তিনি ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে পা রাখেন। তার একটি কথার মাধ্যমে বুঝা যায় বাংলার মানুষ তার কতটা আত্মার আত্মীয় ছিলেন। সেদিন ডেভিট ফোর্স তাকে প্রশ্ন করেছিল, আপনার জন্য লাহোর কারাগারে জেলের পাশে যখন কবর খোড়া হয় তখন আপনার কার কথা বেশি মনে পড়েছে। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের কথা, তারপর আমার স্ত্রী ও সন্তানের কথা। বঙ্গবন্ধু দেশে পা রেখেই মানুষের কাছে ছুটে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে তিনি বলেছেন আমাদের স্বাধীনতা অর্থহীন হবে যদি বাংলার মানুষের পেটে ভাত না থাকে, মানুষের পরনে কাপড় না থাকে, আমার বেকার ছেলেরা কাজ না পায়। সেই লক্ষ নিয়ে তিনি অর্থনৈতিক কর্মসূচি দেন। এর কারণে দেশের ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে হত্যা করে । যখন তাকে হত্যা করা হয় তখন দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণর পথে ছিল। মাথা পিছু আয় ছিলো ১৭৩ ডলার। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশকে আবারও পাকিস্তানের আদলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়া আইয়ুব খানের স্টাইলেই আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে চেয়েছে। তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর তার পুরো পরিবারকে হত্যা করে। কারণ তারা বুঝতে পেরেছিল বঙ্গবন্ধু পরিবারের একজন সদস্য বেঁচে থাকলে তার নেতৃত্বে দেশ আবার ঘুরে দাঁড়াবে। তখন তারা কারাগারে জাতীয় চার নেতাকেও হত্যা করে। সেই সময় শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের হাল ধরেছেন বলেই দেশের জনগণ তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। বাংলাদেশ আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আজ বাংলাদেশের যা কিছু অর্জন তার সব আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে অর্জিত হয়েছে। আজ বঙ্গবন্ধুর কন্যা যোগ্য নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন বহুদূর।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৩ জুন। এদিন বাঙালির ইতিহাসে এক অনন্য দিন। কারণ এই দিনে বাঙালি জাতির স্বপ্ন পূরণের জন্য একটি রাজনৈতিক দলের জন্ম হয়েছিল। তার নাম আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ সাধারণ মানুষের কথা বলে, কৃষক ও শ্রমিকের কথা বলে। যিনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি হলেন বঙ্গবন্ধু। এখন নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু কন্যা আমাদের দেশের জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর এই চলার পথকে মসৃণ করা উচিত। যারা তার এই চলার পথকে বাধাগ্রস্ত সৃষ্টি করছে জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের প্রতিরোধ করতে হবে। আমাদের ২০২২ সালের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এটাই শপথ হওয়া উচিত।

Reneta

বিএনপির বিভিন্ন দল নিয়ে ঐক্য করার বিষয়ে তিনি বলেন, যারা পাকিস্তান আমলে আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করেছে সেই শক্তি দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মুসলিম-লীগ, যুদ্ধাপরাধী ও বাম শক্তি এক সাথে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। তারা তখন মানুষ হত্যা করেছে, দেশের সম্পদ নষ্ট করেছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সেই শক্তিকে নিয়ে জিয়া বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছে। বিএনপি যুদ্ধাপরাধের দল, মুসলিম-লীগের দল, অতি বিপ্লবীদের দল, যারা স্বাধীনতার সময় বলেছিলো ২ কুকুরের লড়াই। তাদের নিয়ে জিয়া বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছে। যাতে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের ধারায় ফিরিয়ে নিতে পারে। এই শক্তি শেখ হাসিনার বিরোধিতা করছে। যারা আন্দোলনের কথা বলে তাদের আন্দোলন আমরা দেখেছি। এদের আন্দোলন জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন। জনগণ এদের বিশ্বাস করে না। এরা অতীতেও কামাল হোসেনের নেতৃত্বে আরও বড় জোট করেছে, সফল হয়নি। সুতরাং আজও তারা নতুন জোট নিয়ে সফল হবে না।

খালেদা জিয়া পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন মির্জা ফখরুলের এমন কথার জবাবে তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল একজন পাগল। মির্জা ফখরুল তার চিন্তা চেতনার কথা বলছে না। সে বলছে তারেক জিয়ার কথা। মির্জা ফখরুল যা বলে তার সবকিছু হলো তারেক জিয়ার কথা। আজ বিএনপি জামাতের মত কিছু বিশ্ববেহায়া ও ষড়যন্ত্রের কবলে পড়েছে দেশ। এরা বিশ্ব বেহায়ার চাইতেও খারাপ। বিএনপি’র গণতন্ত্রের কথা বলে কিন্তু জিয়া কোন গণতন্ত্র বলে দেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছেন? রাতের বেলা অস্ত্র ঠেকিয়ে সে ক্ষমতা নিয়েছে। হ্যাঁ/না ভোট করেছে, কেউ ভোটকেন্দ্রে যায়নি, রেডিও-টেলিভিশনের মাধ্যমে নিজেকে বিজয়ী করেছে। একজন সেনাপ্রধান কিভাবে রাষ্ট্রপ্রধানের নির্বাচন করে। জিয়া দেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। খালেদা জিয়াও ১৯৯৬ সালে ভোটার-বিহীন নির্বাচন করেছে। মির্জা ফখরুলরা যা বলে দেশের জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করে।

আওয়ামী লীগের এ সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ২৫ জুন। এর আগে দেশের এত দুর্ঘটনা কেন। চট্টগ্রামে এত বড় ঘটনা ঘটল কেন। এগুলো বিএনপির ষড়যন্ত্র। বিএনপি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু করতে পারেনি। ছাত্ররা তা প্রতিহত করেছে। ৭৫ সালের হাতিয়ার বলে যারা স্লোগান দেয় সেটাও জনগণ মেনে নেয়নি। পদ্মা সেতু নিয়ে তারা ষড়যন্ত্র করেছে। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের মর্যাদা বিশ্বে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে এবং শেখ হাসিনা এক অনন্য নেতৃত্ব হিসেবে সাফল্য পেয়েছেন। যার কারণে তাদের এ ষড়যন্ত্র। তারা পদ্মা সেতুর আনন্দ উৎসব বিলীন করতে চায়। খালেদা জিয়া ২০১৩ সালে ওয়াশিংটনকে জিএসপি সুবিধা বাতিলের জন্য চিঠি দিয়েছেন এবং সেই চিঠিতে পদ্মা সেতুতে টাকা না দেওয়ায় বিশ্ব ব্যাংককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি যদি দেশ প্রেমিক হন তাহলে তিনি কিভাবে এ কাজ করেন। বিএনপি দেশকে পাকিস্তান বানাতে চায়। দেশের মানুষ বুঝে শেখ হাসিনার বিকল্প আর কিছু নেই। তাই বিএনপি জামাত ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের দেশে পরিণত করেছে বিএনপি। তারা নিজেরাই গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে।তাদের জন্ম হয়েছিল গণতন্ত্রকে হত্যার মাধ্যমে। এখন তারা গণতন্ত্রের কথা বললে মানুষ ভাবে তামাশা করছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে বিএনপি সমালোচনা করে। বিশ্বের অন্যদেশে খবর নিলেই দেখবেন সব কিছুর দাম কি পরিমাণ বেড়েছে। আজ বিশ্বে সব দেশে যে পরিমাণ দাম বেড়েছে সে তুলনায় আমাদের দেশে-অনেক কমই বেড়েছে। আজ যদি বিএনপি ক্ষমতায় থাকতো তারা সর্বক্ষেত্রে আরও অনেক বেশি মূল্য বৃদ্ধি করতো। দেশকে শ্রীলঙ্কা বানাতো অনেক আগেই। আমাদের কিছু জায়গায় ব্যর্থতা রয়েছে। তবে শেখ হাসিনার দেখভালের কারণে দেশের মানুষ তুলনামূলক অনেক ভালো আছে।

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: Awami LeaguePadma BridgeSheikh Hasinaআওয়ামী লীগএস এম কামাল হোসেনপদ্মা সেতুশেখ হাসিনা
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

সংসদ সদস্যদের দ্বিতীয় শপথের বৈধতা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬

খেলার পরিবর্তে ‘রাজনৈতিক’ প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচন ‘গ্রহণযোগ্য মাত্রায় সুষ্ঠু, প্রতিযোগিতামূলক’ হয়েছে: টিআইবি

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে আসামি ধরতে গিয়ে এএসআইয়ের মৃত্যু

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬

ভারত-পাকিস্তান মহারণ: যা বলছেন সাবেকরা

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT