২০৪১ সাল নাগাদ দেশে দারিদ্রের হার ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
আজ রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।
ইশতেহার ঘোষণার বক্তব্যে দারিদ্র্য বিমোচন ও বৈষম্য কমানোর বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন: আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে দারিদ্র্যের হার ১১ শতাংশে, চরম দারিদ্র্যের অবসান এবং ২০৪১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৩ শতাংশে নামিয়ে আনব।
তারুণ্যের শক্তি-বাংলাদেশের সমৃদ্ধির অঙ্গীকার বাস্তবায়নে শেখ হাসিনা বলেন: নির্বাচিত হলে দেশের রূপান্তর ও উন্নয়নে আমরা তরুণ ও যুবসমাজকে সম্পৃক্ত রাখব। কর্মক্ষম, যোগ্য তরুণ ও যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, জেলা ও উপজেলায় ৩১ লাখ যুবকের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং তাদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য সহায়তা প্রদান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
নির্বাচনী ইশতেহার তৈরির জন্য দেশের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের কাছ থেকে মতামত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। সেসব মতামতকেও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়েছে ইশতেহারে। নতুন ইশতেহারে রয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন অভিযাত্রায় উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারে কৃষি, সেবা ও শিল্পোৎপাদন খাতকে গুরুত্ব দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। অঙ্গীকার রয়েছে শিক্ষিত, দক্ষ, চৌকস ও দুর্নীতিমুক্ত মানুষদের রাজনীতিতে আগ্রহী করে তোলার।
২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ‘দিন বদলের সনদ’ নিয়ে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেন শেখ হাসিনা। সেই ইশতেহারে অঙ্গীকার ছিল, ২০২১ সালের মধ্যেই ডিজিটাল হবে বাংলাদেশ। ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারের স্লোগান ছিল ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’।
২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ স্লোগানে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছিল আওয়ামী লীগ।








