রোববার থেকে মাঠে গড়াবে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর। আসরে নাজমুল হোসেন শান্ত বাহিনীর অপেক্ষায় বড় পরীক্ষা। যদি খারাপ সময় আসে, দর্শকদের পাশে চান টাইগার অধিনায়ক। ছোট ছোট ভুলগুলোর দিকে নজর দিতে চান, তাতে ভালো কিছু সম্ভব বলেই মনে করছেন ২৫ বর্ষী টপঅর্ডার ব্যাটার।
যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে হতে চলা টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক সাক্ষাৎকার প্রকাশ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দলের সঙ্গে থাকা কোচ এবং খেলোয়াড়রা জানাচ্ছেন ভাবনা। বুধবার বোর্ড প্রকাশিত ভিডিওতে কথা বলেছেন বাঁহাতি শান্ত।
ঘরের মাঠের বাইরেও দর্শকদের সমর্থন পাওয়াটা লাল-সবুজদের জন্য একটি বাড়তি অনুপ্রেরণা। শান্ত বলছেন, ‘এটা একটা দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত। দেশের বাইরে এসে যখন ভক্তদের সমর্থন পাই, সেটি আসলে একটি বাড়তি অনুপ্রেরণা। দেশের মানুষ যেভাবে ক্রিকেট ভালোবাসে, পাশে থাকে, যেটি অবশ্যই আমাদের অনুপ্রাণিত করে।’
‘সমর্থকদের প্রতি বাড়তি চাওয়া বলতে এতটুকুই চাইবো যে, বিশ্বকাপে আমরা যদি কোনো খারাপ পরিস্থিতিতে পড়ি, ওই সময়টাতে সমর্থকরা যেন দলকে সমর্থন করে এবং দলের পাশে থাকে।’
গতবছর ভারতের মাটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপে আশানুরূপ পারফরম্যান্স দেখাতে পারেনি বাংলাদেশ। এবার ছোট ফরম্যাটের বিশ্বকাপে তেমন কোনো লক্ষ্যই যেন নেই শান্তদের। তবে ম্যাচে নজর দিতে চান ছোট ছোট বিষয়গুলোর দিকে।
‘আমরা যখন বড় কোনো টুর্নামেন্ট খেলতে যাই, অবশ্যই বড় একটা স্বপ্ন নিয়ে যাই। তবে ফলাফল নিয়ে চিন্তা করাটা আমি খুব একটা পছন্দ করি না। আমাদের খেলার ধরণটা ঠিক আছে কিনা, প্রস্তুতিটা ঠিক আছে কিনা, এই জায়গাগুলোতে যদি আমরা ঠিকভাবে কাজ করতে পারি, আশা করি ভালো একটা ফল আসবে।’
‘আসলে মূল লক্ষ্যটা সবাই জানি, দল হিসেবে আমরা অনেক ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই, অনেক ভালো জায়গায় যেতে চাই। যা আমরা অতীতে কখনো করতে পারিনি। ভালো রেজাল্ট করতে চাই, এগুলো সবসময় চাওয়া থাকবে। আসলে প্রত্যাশা নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করলে, এটা একটা বাড়তি চাপ মনে হয়।’
‘তাই খেলার ধরণটা ঠিক রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক মতো করাটাও গুরুত্বপূর্ণ, যার যে দায়িত্ব সেটা ঠিকমতো পালন করছে কিনা সে জিনিসটা গুরুত্বপূর্ণ। এই ছোট ছোট জিনিসগুলো যদি আমরা ঠিক মতো পালন করতে পারি আশা করি ভালো একটা ফল আসবে।’








