এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
সিলেট থেকে: ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের কাছে হার। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং ধসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ভালো করেনি বাংলাদেশ। বল হাতে ভালো করলেও পর্যাপ্ত স্কোর ছিল না ঝুলিতে। ফলাফল তিন উইকেটে পরাজয়। ম্যাচের তৃতীয় দিনটা বাংলাদেশের পক্ষে ছিল, চতুর্থ দিনের শুরুতে নাজমুল হোসেন শান্তর আউট ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয়। ভুল শট খেলে আউট হওয়ায় শান্ত ম্যাচ হারের দায় নিজের কাঁধেই নিচ্ছেন।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে ১৯১ রানে থামে বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে ২৭৩ রান করে। ৮২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে ২৫৫ রানে থামে টিম টাইগার্স। ১৭৪ রানের লক্ষ্য দেয় জিম্বাবুয়েকে। ৭ উইকেটে হারিয়ে চতুর্থ দিনে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় জিম্বাবুয়ে।
সেট ব্যাটার হিসেবেই তৃতীয় দিন শেষ করেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় বলে মুজারাবানির বাউন্সারে থার্ড ম্যানে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। এরপর মিরাজ ও তাইজুল ফিরে যান দ্রুত। শেষদিকে জাকের ও হাসান মাহমুদ মিলে প্রতিরোধ গড়লেও বড় লক্ষ্য দাঁড় করাতে পারেননি। দিনের শুরুতে শান্ত উইকেট বিলিয়ে না আসলে বাংলাদেশের স্কোরটা আরও বড় হতে পারত।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তাই দায়টা নিজের কাঁধে নিলেন শান্ত। বলেছেন, ‘আমার মনে হয়েছে আমার আউটটা পুরা ব্যাটিংটা নষ্ট করে ফেলেছে। এই মোমেন্টামটা ওরা পাওয়াতেই আমরা হেরে গেছি।’
নিজের এমন বাজে শট খেলে আউট হওয়ার বিষয়ে শান্ত বললেন, ‘আমার সবসময় রানের জন্য চিন্তা থাকে। স্কোরিং অপরচুনিটি পেলেই, যেভাবে আউট হয়েছি আমার মনে হয় আরেকটু সময় নিতে পারতাম। দিনের দ্বিতীয় বল ছিল। অবশ্যই এই জায়গাতে আরেকটু সময় নিলে বেটার হতো। এই শট আমি খেলি। দলের অবস্থা যা ছিল আমার মনে হয় আমি না খেললেও পারতাম।’
‘পেশাদার ক্রিকেটারদের আসলে মোটিভেটেড হতে হবে। আসলে মোটিভেশন দিয়ে খুব বেশি কিছু হয় না। যে যে জায়গায় ভুল করেছে সেগুলো যেন আর ভুল না হয়। আজকের ম্যাচ নিয়ে যদি জিজ্ঞেস করেন পুরো ম্যাচটা একা হারায়ে দিছি। সত্যি কথা। কারণ সকালে ওই আউটেই পুরো খেলা নষ্ট হয়েছে। সেখানে যদি একটা ৫০-৬০ রানের জুটি হতো। ২২০ প্লাস রান হলে হয়ত ভালো একটা জায়গায় থাকতাম। পুরো ম্যাচে সবার দিকে যেতে চাই না। পুরো দায়ভারটা আমি নিতে চাই। খুব বাজে সময়ে আউট হয়েছি।’







