দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আদেশের প্রেক্ষাপটে বরিশাল-৪ আসনে শাম্মী আহমেদ ও বরিশাল-৫ আসনে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নির্বাচনী দৌড় থেমে গেলো। নির্বাচনে অংশগ্রহণের আর কোনো সুযোগ থাকলো না তাদের।
বরিশাল-৪ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাম্মী আহমেদের লিভ টু আপিল খারিজ করে এবং বরিশাল-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর প্রার্থিতার বিষয়ে চেম্বার আদালতের দেওয়া স্থগিতাদেশ চলমান থাকবে বলে আদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। আদালতে শাম্মী আহমেদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী ফিদা এম কামাল। আর সাদিক আব্দুল্লাহ’র পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে বরিশাল-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র প্রার্থিতা বাতিল করে ইসি। তবে এর বিরুদ্ধে আপিল করলে ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্ট সাদিকের প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেন। তবে পরবর্তীতে এই আদেশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার আদালত।
অন্যদিকে, দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে বরিশাল-৪ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাম্মী আহমেদের প্রার্থিতা বাতিল করেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন শাম্মী আহমেদ। সে রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. ইকবাল কবির ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শাম্মী আহমেদের রিট খারিজ করে দেন।হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে শাম্মী আহমেদের করা আবেদনের শুনানি শেষে ‘নো অর্ডার’ আদেশ দেন আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার আদালত।
আগামী ৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন ঠিক করে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ভোটের প্রচার চালানোর সুযোগ রয়েছে।








