দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়েছে বছর দেড়েক প্রায়। এরমধ্যে কয়েকবার দেশে ফিরতে চাওয়ার কথা বলেছেন সাকিব আল হাসান। নানাবিধ জটিল পরিস্থিতিতে আর দেশে আসতে পারেননি ৩৮ বর্ষী তারকা। তার নামে হত্যা মামলাও হয়েছে। তবে এখনও দেশে ফিরতে পারবেন এমন আশা রাখেন সাকিব।
সাকিব এমুহূর্তে খেলছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের পেশাদার টি-টুয়েন্টি লিগ আইএলটি-২০তে। সেখানে বিয়ার্ড বিফোর উইকেট পডকাস্টে হরেক বিষয়ে কথা বলেছেন বাংলাদেশের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। দেশে ফেরার ব্যাপারে সাকিব বলেছেন, ‘আমি আশাবাদী। সে কারণেই টি-টুয়েন্টি লিগগুলোতে খেলা চালিয়ে যাচ্ছি। আমার মনে হয় সেটা সম্ভব।’
সাকিব বলেছেন, হোম সিরিজে বছরের পর বছর ধরে সমর্থনের জন্য ভক্তদের কিছু ফিরিয়ে দিতে চান। বলেছেন, ‘আমার মনে হয় যখন একজন খেলোয়াড় কিছু বলে, তখন তারা কথায় অটল থাকার চেষ্টা করে। তারা সাধারণত হঠাৎ করেই এটা পরিবর্তন করে না। আমি ভালো খেলি কিনা, তাতে কিছু যায় আসে না। খেলতে চাইলে হয়ত এরপর খারাপ সিরিজ খেলব। কিন্তু আমার সেটা করার দরকার নেই।’
‘আমার মনে হয় এটাই যথেষ্ট। ভক্তদের বিদায় জানানোর এটা একটা ভালো উপায় যে, তারা সবসময় আমাকে সমর্থন করেছে, তাদের কিছু ফিরিয়ে দিয়ে, ঘরের মাঠে একটি সিরিজ খেলে।’
২০২৪ সালের মে’র পর আর দেশে আসতে পারেননি সাকিব। বিগত সরকারের পতনের পর তার নামে হত্যা মামলা হয়েছে। কানপুরে গতবছর বাংলাদেশের সফরে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টটি হয়ে আছে জাতীয় দল জার্সিতে তার শেষ ম্যাচ।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মাগুরা থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন সাকিব। সেই সরকার পতন হয়ে গেছে। রাজনীতি নিয়ে আবারও বলেছেন, রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘোষণা করেননি। বলেছেন, ‘আমি আমার খেলার অংশটি শেষ করেছি। হয়তো রাজনৈতিক দিকটি এখনও বাকি আছে। এটি এমনকিছু যা আমি বাংলাদেশের মানুষ এবং মাগুরার জনগণের জন্য করতে চাই। এটাই আমার উদ্দেশ্য ছিল এবং এখনও এটিই আমার উদ্দেশ্য। দেখা যাক আল্লাহ আমাকে কোথায় নিয়ে যান।’








