ব্যাট হাতে ছয়ে ঝড় তুললেন সাকিব আল হাসান। উইকেট না পেলেও কিপটে বোলিং করেছেন বাংলাদেশের পোস্টারবয়। দলের বাকিদের মলিন পারফরম্যান্সে শেষপর্যন্ত হেরে মাঠ ছাড়তে হয় সাকিবদের দল অ্যান্টিগা এন্ড বারবুডা ফ্যালকনসকে।
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) বুধবার ভোরে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ৯ উইকেটে হেরেছে অ্যান্টিগা এন্ড বারবুডা ফ্যালকনস। টসে হেরে ব্যাটে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট ১৬৬ রানের পুঁজি পায় অ্যান্টিগা। তাড়ায় নেমে কেবল এক উইকেটে হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ত্রিনবাগো। ৯ উইকেট ও ১৫ বল হাতে রেখে পাওয়া জয় ফাইনালে খেলার দৌড়ে টিকিয়ে রেখেছে ত্রিনবাগোকে।
সাকিব ব্যাট হাতে নেমেছেন অনেক পরে। ৬ নম্বরে নেমে অপরাজিত ছিলেন শেষপর্যন্ত। ১৮তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তিনি উইকেটে আসেন। অন্যপাশ থেকে সাকিবের সঙ্গীরা ছিলেন শুধু আসা-যাওয়ার মিছিলে।
সাকিব শুরুতেই চড়াও হন সুনীল নারিনের উপর। তার ৫ বল থেকে তুলে নেন ১৮ রান, ৩টি চার, আর একটি ছক্কা হাঁকান। এরপর তাণ্ডব চালিয়ে গেছেন শেষপর্যন্ত। ৯ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থেকে ইনিংস শেষ করেন তিনি।
এর আগে ফ্যালকনসের ইনিংস টেনেছেন আমির জাঙ্গু ও আন্দ্রিস গুস। দুজনে ফিফটি করেছেন। আমির ৪৯ বলে করেছেন ৫৫, আর গুস ৪৫ বল খেলে করেছেন ৬১ রান। দ্বিতীয় উইকেটে দুজন মিলে তুলেছেন ১০৮ রান। তাদের জুটির সঙ্গে শেষ দিকে সাকিবের ঝড়ের পরও দলের রান ১৬৬এর বেশি হয়নি।
রানতাড়ায় শুরুতে কলিন মুনরোর উইকেট হারায় ত্রিনবাগো। এরপর আর উইকেট পড়তে দেননি অ্যালেক্স হেলস ও নিকোলাস পুরান। দুজনে ৮৬ বলে ১৪৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। চলতি আসরে যেকোনো উইকেটে এটিই সর্বোচ্চ জুটি। ৪০ বলে ৩টি করে চার ও ছক্কায় ৫৪ রান আসে হেলসের ব্যাট থেকে এবং ৩ চার ও ৮ ছক্কায় ৫৩ বলে ৯০ রানের মারকুটে এক ইনিংস খেলেন অধিনায়ক পুরান।
বল হাতে ৮ ইকোনিমিতে ৩ ওভারে ২৪ রান দেন সাকিব। একমাত্র উইকেট শিকার করা রাকিম কর্নওয়াল ৪ ওভারে দেন ৫০ রান।







